April 24, 2026, 1:13 pm
শিরোনাম :
আইডি যাচাইয়ে ন্যায্যমূল্যে ডিজেল পেয়ে স্বস্তিতে চুয়াডাঙ্গর কৃষকরা উত্তরায় রেস্টুরেন্ট ও বারে পুলিশের অভিযান, নারী-পুরুষসহ ১৪০ জন আটক কর্ণফুলী টানেলে রাতের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ: ছয় দিনের বিশেষ ব্যবস্থাপনা সুনামগঞ্জে হাওরে কৃষকের পাশে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটলেন স্বেচ্ছাসেবীরা যান্ত্রিক ত্রুটিতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ শিবচরে সিএসএস-এর ফ্রি চিকিৎসা সেবা, উপকৃত শতাধিক অসহায় মানুষ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নীতিমালার কড়াকড়ি: চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬: একটি যুগান্তকারী রক্ষাকবচ সালিস বৈঠকে স্কুলের দেয়াল ধসে সাবেক কাউন্সিলরসহ আহত ৩ প্রবাসী নবী হোসেনের সংসার ভাঙনের অভিযোগ, ন্যায়বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ

মনিরামপুরে মৃত্যুর আড়াই মাস পর লাশ উত্তোলন, ছেলের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

Reporter Name

মাসুদ রায়হান, স্টাফ রিপোর্টার:
মনিরামপুরের নেহালপুর ইউনিয়নে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হওয়া ৬৫ বছরের মজিদ দফাদারের লাশ আড়াই মাস পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। রোববার সকালে আদালতের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সহকারী কমিশনার ভূমি) মাসুদুর রহমানের উপস্থিতিতে মনিরামপুর থানা পুলিশ লাশ উত্তোলন কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
নিহত মজিদ দফাদার এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখে হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর স্থানীয়রা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতের চিহ্ন দেখতে পান। অভিযোগ ওঠে, তার পুত্র ও নেহালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সোহরাব দফাদারের নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি প্রাণ হারান। এই ঘটনায় নিহতের জামাই সাত্তার মোল্যা মনোহরপুর ইউনিয়নের খাকুন্দি গ্রাম থেকে বাদী হয়ে ২৯ অক্টোবর থানায় ৩০২ ধারায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা নং-সিআর ১১২৪/২৫ অনুযায়ী জুডিশিয়াল আদালতের নির্দেশে মনিরামপুর থানায় ০৪ নভেম্বর মামলা রেকর্ড করা হয়। থানায় মামলা রেকর্ড হওয়ার পর পুলিশ অভিযুক্ত সোহরাব দফাদারকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। পরবর্তীতে ০৩ ডিসেম্বর যশোর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশেক হাসানের স্বাক্ষরিত আদেশে, মৃত মজিদ দফাদারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারী কার্যবিধি ১৭৬ (২) ধারায় লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই রেজাউল হক ও এএসআই শাহাজাহান বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে লাশ উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। লাশ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আড়াই মাস পরও নিহতের পুত্রের বিরুদ্ধে পিতাকে হত্যার অভিযোগে এলাকায় তীব্র গুঞ্জন চলছে। ঘটনার সত্যতা ও হত্যার মূল কারণ উদঘাটন করতে পুলিশ ও প্রশাসন ময়নাতদন্তসহ বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে।



ফেসবুক কর্নার