May 25, 2026, 5:25 pm
শিরোনাম :
ভেড়ামারায় অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ অভিযান রাঙ্গামাটিতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করল পিসিসিপি এলাকাবাসীর উদ্যোগ ও জাহিদুল ইসলাম ডালিমের সহযোগিতায় নির্মাণ হলো হটাৎ পাড়া সড়ক ঝিনাইদহে পাটওয়ারীর সাথে যা ঘটেছে তা শোভনীয় নয়: আইনমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: তিনজনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, ৮ পরিচালক নির্বাচিত ঈদে ট্রেনে নারীদের জন্য বিশেষ কোচের ব্যবস্থা অমিতাভকে দেখতে এসে ভিড়ে জ্ঞান হারালেন ভক্ত! কুষ্টিয়া–মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় বিড়ি ও মাদকসহ বিপুল পণ্য উদ্ধার পোশাকবিধি নিয়ে বিতর্কের পর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল বাংলাদেশ বেতার পেতেইন্যাছড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনে প্রশাসনের অভিযান, ৫টি শ্যালো মেশিন জব্দ

কুড়িগ্রামের পশুর হাটে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম মোতায়েন

আলমগীর হোসাইন নিজস্ব প্রতিবেদক কুড়িগ্রাম

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ বাণিজ্য নিশ্চিত করতে জেলার প্রতিটি পশুর হাটে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম মোতায়েন করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
সোমবার (২৫ মে ২০২৬) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবছর জেলায় কোরবানির জন্য প্রায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৯১৯টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে স্থানীয় চাহিদা রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৯৩ হাজার পশুর। অতিরিক্ত পশু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হবে বলে আশা করছেন খামারিরা।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, জেলার ছোট-বড় খামারগুলোতে দেশীয় গরুর পাশাপাশি শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান ও ব্রাহামা জাতের গরু প্রাকৃতিক খাবারের মাধ্যমে পালন করা হচ্ছে। পশুর খাদ্য হিসেবে সবুজ ঘাস, ভুট্টা, খৈল, গমের ভুসি, ধানের কুঁড়া ও খড় ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত পরিচর্যা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ক্ষতিকর ওষুধ বা স্টেরয়েড ব্যবহার করে পশু মোটাতাজাকরণ প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে একাধিক মনিটরিং টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। খামারিদের সচেতন করা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।
এবার ঈদকে কেন্দ্র করে জেলায় ১৫টি স্থায়ী ও ১৪টি অস্থায়ী পশুর হাট বসছে। এসব হাটে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম। তারা অসুস্থ পশু শনাক্ত, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে।
যাত্রাপুর পশুর হাটে গরু বিক্রি করতে আসা খামারি আজিজার মোল্লা বলেন, হাটে বেচাকেনা জমে উঠেছে এবং ক্রেতারা পশু দেখে দরদাম করছেন। হাটে মেডিক্যাল টিম থাকায় খামারিরা স্বস্তি পাচ্ছেন।
ঘোগাদহ এলাকার খামারি মাইদুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রাকৃতিক খাবার দিয়েই পশু বড় করেছি। কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি।”
কুড়িগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান জানান, কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাটে মেডিক্যাল টিম কাজ করছে এবং খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।



ফেসবুক কর্নার