June 15, 2026, 9:33 am
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জকে শান্ত ও নিরাপদ জেলা গড়ার প্রত্যয়, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধনানক-তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু সব গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস রাতের আঁধারে আগাছানাশক স্প্রে, ঝিনাইদহে ৩ বিঘা তিল ক্ষেত পুড়ে ছাই টোলপ্লাজা এলাকা থেকে নাসিরের মরদেহ উদ্ধার বেনজীরকে দেশে পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশকে চিঠি দিল আমিরাত সাতক্ষীরায় বুশরা ও এমআর গ্রুপের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দিশেহারা গ্রাহকরা জুলাই আন্দোলনে পরিচয় থেকে প্রেম, বিয়ের পিঁড়িতে দুই তরুণ-তরুণী বিচ্ছেদ নাকি পুনর্মিলন? বিজয়-সঙ্গীতাকে ঘিরে জল্পনার শেষ কোথায়! দিয়ালোর শেষ মুহূর্তের গোলে ইকুয়েডরকে হারাল আইভরি কোস্ট

সাতক্ষীরায় বুশরা ও এমআর গ্রুপের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দিশেহারা গ্রাহকরা

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় বুশরা মাল্টিপারপাস সমবায় সমিতি লিমিটেড এবং এমআর বিজনেস গ্রুপের বিরুদ্ধে হাজার হাজার গ্রাহকের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিষ্ঠান দুটি গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের আমানত সংগ্রহ করেছে। বর্তমানে লভ্যাংশ ও মূল টাকা ফেরত না পেয়ে অনেকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুরুতে লক্ষ টাকা জমার বিপরীতে নিয়মিত মাসিক লভ্যাংশ প্রদান করে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করা হয়। পরবর্তীতে অধিক মুনাফার আশায় অনেক প্রবাসী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ তাদের সঞ্চয়, জমি বিক্রির অর্থ এবং ব্যাংক থেকে উত্তোলিত টাকা এসব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কয়েক বছর ধরে লভ্যাংশ কমতে কমতে একপর্যায়ে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরে টাকা ফেরতের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যালয়ে গেলে অধিকাংশ অফিস বন্ধ পাওয়া যায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।
কালীগঞ্জ উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত এক গ্রাহক এহসানুর রহমান অভিযোগ করেন, অবসরকালীন প্রাপ্ত অর্থ বিনিয়োগ করার পর এখন তিনি অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, কিন্তু তার টাকা ফেরত পাননি। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরও অনেক গ্রাহক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও অধিকাংশ গ্রাহক এখনো তাদের আমানত ফেরত পাননি। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার