May 14, 2026, 2:42 pm
শিরোনাম :
উপবন এক্সপ্রেসের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং

করিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন, বিয়ে হয়েছিল—‘মুফতি’ কাভির দাবি

অভয়নগর প্রতিবেদক

বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ ও বিস্ময়কর দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউডের ‘বেবো’ খ্যাত অভিনেত্রী করিনা কাপুর তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে ‘মুফতি’ কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ও যোগাযোগ নিয়ে একাধিক দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, তরুণ বয়স থেকেই তিনি সুদর্শন ছিলেন এবং এক সময় তাকে ‘সেঠ শাহিদ’ নামেও ডাকা হতো। তার দুবাইসহ ভারতীয় ব্যবসায়ী ও আলেম সমাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

‘মুফতি’ কাভির ভাষ্য অনুযায়ী, তার ভারতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল এবং সেখানে গেলে তার নানা আকাঙ্ক্ষাও জেগে উঠত। এ সময় তার বন্ধুরা তাকে জিজ্ঞেস করত, তিনি কাকে চান।

পডকাস্টে তিনি দাবি করেন, ১৯৯৬ সালে করিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ গড়ে ওঠে। সে সময় করিনার বয়স আনুমানিক ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল। পরে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়।

তিনি বলেন, হিন্দুদের কাছেও আসমানি কিতাব রয়েছে এবং শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানরা হিন্দু নারীদের বিয়ে করতে পারেন। সেই অনুযায়ী তিনিও করিনা কাপুরের সঙ্গে নিকাহ করেছিলেন।

মুফতি কাভি দাবি করেন, করিনা কাপুর ‘পাকিস্তানের ভাবি’ ছিলেন, কারণ তিনি তার স্ত্রী ছিলেন এবং তার নিকাহে ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, হয়তো ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি করিনা কাপুরকে প্রভাবিত করেছিল। তখন করিনা কাপুর এখনকার মতো বড় তারকা ছিলেন না, সে কারণেই তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

মুফতি কাভির আরও দাবি করেন, করিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেই বিয়েকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। করিনা কাপুর তার নিকাহে ছিলেন, এই কারণেই তিনি প্রকাশ্যে সাইফ আলী খানের সঙ্গে করিনার বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন বলেও দাবি করেন।

পডকাস্টে তিনি আরও বলেন, এখনো যদি ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তাহলে তিনি প্রস্তুত। কারণ শুরু থেকেই ঐশ্বরিয়া রাইকে তার পছন্দ ছিল।

তবে কাভি কারিনাকে স্ত্রী দাবি করলেও তাদের মধ্যে কখন ও কেন তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাননি।



ফেসবুক কর্নার