March 7, 2026, 1:15 pm
শিরোনাম :
গুম ও শহীদ পরিবারের পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর পশুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের পথে কার্গো জাহাজ গাইবান্ধায় দানকৃত জমি দখলমুক্ত করে বাজার স্থাপনের দাবি এলাকাবাসীর ঈদ উপলক্ষে ২৮০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ স্বপ্নের অংকুর যুব সংগঠনের বদরের চেতনায় লড়াই অব্যাহত রাখার আহ্বান এমপি অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর মোকামতলায় নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: শিক্ষার প্রসারে প্রতিশ্রুতি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের যে ভুলে বন্ধ হবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ, সতর্কতা জারি ফাইনালের আগে ‘অপয়া’ হোটেল বদলাল ভারত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

অভয়নগর প্রতিবেদক

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে সরকার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে ১৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

অধ্যাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে। সরকার কর্তৃক প্রত্যয়ন সাপেক্ষে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে চলমান কোনো মামলা থাকলে পাবলিক প্রসিকিউটরের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাহার ও অভিযুক্তদের অব্যাহতি বা খালাস প্রদান করবেন।

তবে অধ্যাদেশে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন চলাকালে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে। কমিশন এই অভিযোগ তদন্ত করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীর বর্তমান কিংবা সাবেক কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। তদন্ত চলাকালে গ্রেপ্তারের প্রয়োজন হলে কমিশনের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, তদন্তে যদি অভিযোগিত ঘটনা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে কমিশন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে এবং আদালত তা পুলিশ প্রতিবেদনের সমতুল্য হিসেবে গণ্য করে ব্যবস্থা নেবেন। আর যদি অভিযোগিত কার্য রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে প্রতীয়মান হয়, তবে কমিশন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আর কোনো আদালতে মামলা বা আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।



ফেসবুক কর্নার