March 7, 2026, 1:14 pm
শিরোনাম :
গুম ও শহীদ পরিবারের পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর পশুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের পথে কার্গো জাহাজ গাইবান্ধায় দানকৃত জমি দখলমুক্ত করে বাজার স্থাপনের দাবি এলাকাবাসীর ঈদ উপলক্ষে ২৮০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ স্বপ্নের অংকুর যুব সংগঠনের বদরের চেতনায় লড়াই অব্যাহত রাখার আহ্বান এমপি অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর মোকামতলায় নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: শিক্ষার প্রসারে প্রতিশ্রুতি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের যে ভুলে বন্ধ হবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ, সতর্কতা জারি ফাইনালের আগে ‘অপয়া’ হোটেল বদলাল ভারত

ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে শোকজ

অভয়নগর প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলতে আসা কিশোর ও তরুণদের সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রকাশ্যে প্রায় ৩০ জন কিশোর ও তরুণকে কানে ধরে উঠবস করানোর ঘটনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ।

প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ জানান, অভিযুক্ত ডাকসু সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, সর্বমিত্র চাকমার জবাব পাওয়ার পর সেটি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব কোণায় এই ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মাঠে খেলতে আসা প্রায় ৩০ জন কিশোর ও তরুণকে এক সারিতে দাঁড় করিয়ে প্রকাশ্যে কানে ধরে উঠবস করানো হয়। ওই কিশোর ও তরুণদের বয়স আনুমানিক ১৩ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। ঘটনার সময় ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে হাতে একটি লাঠি নিয়ে তাদের সামনে পায়চারি করতে দেখা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তোলে।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই ঘটনাটিকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন সর্বমিত্র চাকমার লিখিত জবাবের পরই স্পষ্ট হবে, এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।



ফেসবুক কর্নার