March 10, 2026, 9:52 am

চকরিয়ায় মামলা বিচারাধীন জমি জবরদখলের চেষ্টা, উৎকন্ঠায় ভুক্তভোগী পরিবার

অভয়নগর প্রতিবেদক

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর মালিকানাধীন ও ভোগদখলীয় জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে। ঘটনা ঘটে বুধবার দুপুরে বরইতলী পহরচাঁদা বিবিরখিল মোস্তাক মিয়ার পুগেরবিল এলাকায়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর নামে বিএস খতিয়ান ৬৭৯ ও ৭৪৯-এর ৮.৮২ একর জমি নিয়ে কিছু কুচক্রী মহল জবরদখলের চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে জমির মালিকের ছেলে এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী গত ২৯ ডিসেম্বর চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি রুজু করেছেন। পরিবার মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
স্থানীয় মৃত সোলেমান সিকদারের ছেলে ওসমান গনি বলেন, “বিরোধীয় জমির বিষয়ে আমরা আদালতে মামলা করেছি। মামলার চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত আমরা জমিতে যাওয়ার পক্ষে নই। আদালতের নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত জবরদখল বন্ধ রাখার জন্য আমরা আবেদন জানাচ্ছি।”
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদু শুক্কুর জানান, মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর সম্পত্তি নিয়ে বিগত ২১ বছর ধরে মামলা চলছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে তৎকালীন সরকারের পতনের পর একটি চক্র জমি জবরদখলের চেষ্টা করেছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চক্রটি পুনরায় চেষ্টা চালাচ্ছে। বুধবার চকরিয়া থানার একটি টীম জবরদখলকারীদের বাধা দিয়েছে।
পার্শ্ববর্তী ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “৫ আগস্ট পরবর্তী জমি দখলের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাঁধা দেয়। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আবারও চক্র জমিতে ধান রোপণের চেষ্টা করছে। বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “জমিটি ১৯৪২ সালে পূর্বপুরুষদের থেকে ক্রয়কৃত। বিএস ও এমআরআর খতিয়ানসহ দলিল সম্পূর্ণ বৈধ। চক্রটি আদালতে জিততে পারবে না বলে জবরদখলের চেষ্টা করছে।”
অভিযুক্ত কামরুল আহসান দাবি করেন, “জমি আমাদের নামে আরএস রেকর্ডে রয়েছে এবং আমরা সেখানে চাষাবাদ করছি। জবরদখলের অভিযোগ সঠিক নয়।”
চকরিয়া থানার ওসি মনির হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর উপপরিদর্শক আরকানুল ইসলাম ও উপপরিদর্শক নাসির আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশ টীম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।



ফেসবুক কর্নার