July 1, 2026, 7:46 am
শিরোনাম :
দুধে পোকা–কীড়ার অভিযোগে ক্ষোভ, তদন্তের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পীর শামীম জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা খাজা আহমেদের জামিন নামঞ্জুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইকুয়েডরের সাথে ২-০ গোলে এগিয়ে মেক্সিকো অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে বাউফলে পেশাদার সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান মসজিদের অর্থ বরাদ্দে হাসনাতের ই-টেন্ডার নৈরাজ্য দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে ইমরান-ন্যান্সির নতুন চমক সত্যিই কি ধর্ম পরিবর্তন করেছেন? বিতর্কের ঝড়ে এবার নিজেই মুখ খুললেন উরফি জাভেদ কর্ণফুলীতে জাহাজের ধাক্কায় লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবি, কোস্টগার্ডের অভিযানে উদ্ধার ১২ দিনাজপুরে ১০ বছরের  শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, আটক ১

লামায় বনবিভাগের যোগসাজশে অবৈধ কাঠ পাচার

রাসেল লামা বান্দরবান

বান্দরবানের লামা উপজেলার ২ নং লামা সদর ইউনিয়ন ও রুপসীপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এবং অবৈধ কাঠ পাচারকারি সিন্ডিকেটের যোগসাজশে সেগুন, গামারী ও লালিসহ বিভিন্ন কাঠ পাচারের ঘটনা বাড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৫টার পর থেকে দৈনিক ১০০-১৫০ গাড়ি কাঠ ও জ্বালানি লাকড়ি ইটভাটা ও বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, পৌপা হ্যাডমেনপাড়া, গিলা পাড়া, খ্রিস্টান পাড়া ও কাইরমপাড়া এলাকায় বড় বড় বাগান কেটে বনখেকোরা কাঠ সংগ্রহ করছে। অভিযোগ রয়েছে, কাঠ ব্যবসায়ীরা বনবিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে কাঠ পরিবহনে অনুমতি পান। এতে বন সম্পদ ক্ষয় হচ্ছে এবং রাজস্বও ক্ষতির মুখে পড়ছে।
বন আইন ১৯২৭ (বাংলাদেশ সংশোধিত) অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া কাঠ কাটার, মজুদ বা পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়মিত টহল, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা এবং আইনের কড়া প্রয়োগ ছাড়া বন উজাড় রোধ কঠিন। বন বিভাগের সাম্প্রতিক উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।



ফেসবুক কর্নার