দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও উন্নয়নমুখী করতে ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ রবিবার সরকারের এক উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ। মূলত জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা এবং তৃণমূল পর্যায়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে পঞ্চগড় জেলায় মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রামে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ দায়িত্ব পেয়েছেন। একইভাবে গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ কে এম আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ এবং নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিককে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীতে এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে জাভেদ মাসুদ এবং কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন এখন থেকে জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করবেন।
দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে ঝিনাইদহে আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে শাহাদাৎ হোসেন এবং পিরোজপুরে আলমগীর হোসেনকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ বি এম মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ কে এম ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান এবং শরীয়তপুরে সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন প্রশাসক হিসেবে কাজ করবেন।
এছাড়া দেশের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলে সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরীকে নতুন প্রশাসক হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। প্রশাসনের প্রত্যাশা, নতুন এই নিয়োগের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর কার্যক্রমে নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে এবং জনসেবা নিশ্চিত করতে পরিষদগুলো আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।