
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলি লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। ইরানের বেঁচে থাকা সর্বজ্যেষ্ঠ নেতাদের একজন ছিলেন লারিজানি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে তেলআবিবের হামলায় তার প্রাণহানির বিষয়টি দাবি করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।
তবে আলি লারিজানির মৃত্যুর বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি তেহরান।
এর আগে, আলি লারিজানির অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার খবর উঠে আসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।
সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পর ইরানের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন লারিজানি। খামেনির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাজন ছিলেন তিনি। দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির প্রধান আলোচকের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। তিন দফায় সামলেছেন পার্লামেন্ট স্পিকারের পদ। লারিজানির নেতৃত্বেই ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয় পারমাণবিক শক্তিধর দেশের সাথে চুক্তি করতে সক্ষম হয় ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছিলেন লারিজানি।
এদিকে, ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আওতাধীন আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ ফোর্সের’ কমান্ডার গোলামরেজা সোলেমানিকেও আজ হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
তথ্যসূত্র: আলজাজিরা, টাইমস অব ইসরায়েল