May 7, 2026, 5:31 pm
শিরোনাম :
প্রথমবার অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের এককালীন চেক দিল ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নোয়াখালীতে স্মার্টফোনে অনলাইন জুয়া: যুবকের কারাদণ্ড ও জরিমানা লামায় “পর্যটন ও নিরাপত্তা” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত, উদ্ধারকৃত ১৬টি মোবাইল ফেরত দিল পুলিশ নাটোরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু ঝিনাইদহে ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে প্রায় ২০ লাখ টাকার চেক বিতরণ কসবায় পুলিশের অভিযানে ৬২ কেজি গাঁজা উদ্ধার পুকুরপাড়ে ফেলে পালাল মাদক কারবারিরা, তদন্তে নেমেছে পুলিশ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় জমি দখলের অভিযোগ: সমবায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড স্থাপন ঘিরে উত্তেজনা, ছাত্রদলের প্রতিরোধ “দুর্নীতির তালাশ টিম” পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ: ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ কিশোরগঞ্জে ভয়াবহ নদীভাঙন: বিলীন হওয়ার শঙ্কায় নয়াবাড়ী গ্রাম, আতঙ্কে শতাধিক পরিবার ময়মনসিংহে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নির্যাতনের অভিযোগ, স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুতি

কসবায় পুলিশের অভিযানে ৬২ কেজি গাঁজা উদ্ধার পুকুরপাড়ে ফেলে পালাল মাদক কারবারিরা, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

আকরাম শাহ জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ৬২ কেজি গাঁজা জব্দ করা হলেও অভিযুক্ত মাদক কারবারিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (০৫ মে ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে কসবা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের জাজিসার এলাকায় জনৈক জয়নাল মিয়ার পুকুরপাড়ে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধি নজরে আসে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাদক কারবারিরা দ্রুত পালিয়ে যায় এবং সেখানে ফেলে রেখে যায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ৬২ (বাষট্টি) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার সঙ্গে জড়িত পলাতক মাদক কারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচার ও কারবারের ঝুঁকি রয়েছে। ফলে মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন। তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে, তবে মাদকের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত এ সমস্যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসবে না।
এদিকে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতিতে অভিযান চলমান থাকবে এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সর্বোচ্চ কঠোরতা অব্যাহত রাখা হবে।



ফেসবুক কর্নার