May 19, 2026, 3:37 am
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার মিরপুরে ডিবির অভিযানে আটক ইকবাল সেট জাফলংয়ে অভিযানে প্রায় ৭ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ কর্পোরেট দক্ষতা, মিডিয়া উপস্থিতি ও মানবিকতায় উজ্জ্বল এক অনন্য ব্যক্তিত্ব — আসিয়া বিনতে আমানত সুমি সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘ছোট সুমন বাহিনী’র আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৫ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কলেজছাত্র সিয়ামের চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা: ৮ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১ কুলাউড়ায় সিএনজির ধাক্কায় আহত বিদ্যুৎ কর্মীর মৃত্যু, মামলা দায়ের দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ ও ডাকবাংলো পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক ধামরাইয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ তামাকজাত পণ্য ধ্বংস গভীর রাতে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের লিফটে আটকা রোগীর স্বজন, উদ্ধার ফায়ার সার্ভিসের কালীগঞ্জে আদম ব্যবসায়ীর প্রতারণার অভিযোগ, নিঃস্ব জাহাঙ্গীরের পরিবার

যমুনা প্রাইভেট হাসপাতালে নারী কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি মামলায় উত্তেজনা

নওশেদ ভুঁইয়া ক্রাইম রিপোর্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড়ে অবস্থিত যমুনা প্রাইভেট হাসপাতালে নারী কর্মচারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগী তাসলিমা আক্তার (২২) নামে এক নারী কর্মচারী সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি যমুনা প্রাইভেট হাসপাতালে রিসিপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত। হাসপাতালের বাইরে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
অভিযোগে বলা হয়, শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের সামনে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে মারধর, টানাহেঁচড়া ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এতে তিনি আহত হন এবং প্রাণনাশের হুমকিও পেয়েছেন বলে দাবি করেন। অভিযোগে লিপি বেগম, জামাল মিয়া, আতিক, কাউছার, জাকির ও খায়েরসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তাসলিমা আক্তার জানান, ঘটনার সময় ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে আছিয়া ফার্মেসির মালিক জামাল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেয়েটি আমার ভাগনেকে মারধর করেছে এবং আমাকেও আঘাত করেছে। এ ঘটনায় আমিও থানায় মামলা করেছি।”
যমুনা হাসপাতালের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী মোবাইল ফোনে জানান, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। তবে হাসপাতালের ভেতরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডিভিআর মেশিন নষ্ট করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। কিছু সরঞ্জাম খুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, “হাসপাতালে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। রোগী ও স্টাফদের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হয়েছে।”
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ফেসবুক কর্নার