September 9, 2026, 9:44 pm

দাপ্তরিক নথিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয়

অভয়নগর প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদবির আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ সম্মানসূচক হিসেবে লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না।
পরিপত্রে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং এর অধীন দপ্তরগুলোকে এ নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ পাঠানোর সময় রাষ্ট্রপতি এবং সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবির পূর্বে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামের পরিবর্তে তাঁর সাংবিধানিক বা সরকারি পদবি যথাযথভাবে উল্লেখ করেই দাপ্তরিক নথি ও যোগাযোগ সম্পন্ন করতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে বিষয়টিকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দেশনাটি অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধীনস্থ দপ্তরকে দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন এ নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত সম্মানসূচক শব্দ প্রয়োগের পরিবর্তে সরাসরি সরকারি পদবি ব্যবহারের প্রক্রিয়া কার্যকর হবে।



ফেসবুক কর্নার