September 20, 2026, 8:01 am

চিকিৎসক ছেলের মৃত্যুর পর বাবারও অস্বাভাবিক মৃত্যু

সুজন

সিলেটে তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মৃত্যুর ১১ দিন পর তার বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীরও মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘ভটের ফার্মেসি’র দ্বিতীয় তলার বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী ওই বাসাতেই থাকতেন। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা সকালে তার কোনো সাড়া না পেয়ে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে। এলাকায় তাদের পরিবার ‘ভটের বাড়ি’ বা ‘ব্রাহ্মণ বাড়ি’ নামে পরিচিত। প্রায় দুই বছর আগে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর স্ত্রী মারা যান। এরপর গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের একমাত্র ছেলে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ৩১ বছর বয়সী প্রান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন। বিয়ের পর নতুন বাসায় ওঠার পরদিন তার অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। পুলিশ সে সময় মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছিল।
মৌলভীবাজার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোজ কুমার সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ছেলের মৃত্যুর পর পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। ১১ দিনের ব্যবধানে বাবা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের অনুমানভিত্তিক সিদ্ধান্তে না গিয়ে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করছে পুলিশ।



ফেসবুক কর্নার