October 7, 2026, 6:46 am

প্রাণঘাতী ইনজেকশন ব্যর্থ, জ্ঞান ফিরেছে ক্রিস্টা পাইকের

অভয়নগর প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইক। তার আইনজীবীরা মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানান, ৫০ বছর বয়সী পাইক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং বর্তমানে কথা বলতে পারছেন। তবে তার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা এখনো স্পষ্ট নয়।
১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে ১৮ বছর বয়সে সহপাঠী কোলিন স্লেমার হত্যার ঘটনায় পাইক, তার প্রেমিক ট্যাডারিল শিপ ও আরেক সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা হয়। ১৯৯৬ সালে পাইক ও শিপকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পাইককে মৃত্যুদণ্ড এবং শিপকে প্যারোলের সুযোগসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর সহযোগী শ্যাডোলা পিটারসন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন এবং পরে প্রবেশনে মুক্তি পান।
গত বুধবার টেনেসিতে পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হলেও দুই দফা ইনজেকশন প্রয়োগের পরও তার মৃত্যু হয়নি। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং কয়েক দিন অচেতন থাকার পর চিকিৎসায় জ্ঞান ফিরে আসে। আইনজীবীরা ঘটনাটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। ফোর্ডহাম ল স্কুলের অধ্যাপক ডেবোরা ডেন্নো বলেন, পাইকের জ্ঞান ফিরে কথা বলতে পারার ঘটনা তাকে বিস্মিত করেছে। তার মতে, আগের কয়েকটি ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হলেও সংশ্লিষ্ট বন্দিদের শরীরে কার্যকর ওষুধ প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি; পাইকের ঘটনা এ দিক থেকে ভিন্ন।



ফেসবুক কর্নার