October 22, 2026, 5:55 pm
শিরোনাম :
ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে টাইফুন চাম্পি শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা বিএনপি সরকারের সাফল্য: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগরের নেতাসহ গ্রেপ্তার দুই কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার, প্রাণে বাঁচলেন তিনজন মাদক ও অপকর্মে জড়ালে বিএনপিতে জায়গা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী হিফযুল হাদিস প্রতিযোগিতায় ঢাকা উত্তরে প্রথম রূপগঞ্জের আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সফরে মোংলায় উন্নয়ন ঘিরে নতুন প্রত্যাশা লাল শাড়িতে নজর কাড়লেন বিপাশা, জানালেন বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা বিতর্কের মধ্যে বন্ধুদের নিয়ে পাভেলের রহস্যময় পোস্ট, বাড়ছে কৌতূহল খোলামেলা পোশাকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না: রাশমিকা মান্দানা

কুষ্টিয়ায় নারী গ্রাম পুলিশকে কুপ্রস্তাব, সহকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

শেখ মহসিন কবির, ক্রাইম রিপোর্টার, কুষ্টিয়া :

 

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নম্বর বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত এক নারী গ্রাম পুলিশকে বারবার অনৈতিক প্রস্তাব ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়নের আরেক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোছা. পারভীন বেগম কুষ্টিয়া মডেল থানায় সাধারণ অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশের নাম মো. দিদারুল ইসলাম। পারভীনের অভিযোগ, কর্মস্থলে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হতো, বিশেষ করে তিনি একা থাকলে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো। পাশাপাশি তাঁকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।

পারভীন বেগমের ভাষ্য, বিষয়টি আগে ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন সচিবকে জানানো হলে দুজনকে ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরে আবার একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় বলে তাঁর দাবি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত দিদারুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তাঁর সঙ্গে আমার কোনো ঝামেলা নেই। তাঁকে আমি চাচি বলে ডাকি, আর তিনি আমাকে আব্বা বলে ডাকেন।” ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জানান, পারভীন আগে বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছিলেন। দুজনের সম্মানের কথা বিবেচনা করে তাঁদের ডেকে সংশোধন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পরে আবারও সমস্যা শুরু হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন।

এদিকে, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব অসুস্থ থাকাকালে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে। এ ঘটনায় দিদারুল ইসলামের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলেও তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। সচিবের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়ার পর তিনি সেগুলো খুঁজছিলেন এবং দিদারুল তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দিদারুলের সম্পদ ও আয়ের উৎস তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন, দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগকারী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।



ফেসবুক কর্নার