
মাগুরায় বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টারে ঢুকে যুবদল নেতা সাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রনি শিকদার ও শামীমা ইয়াসমিন। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাঁদের জেলহাজতে পাঠান।
নিহত সাকের হোসেন মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং শহরের পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুবুদ্দিনের ছেলে। তিনি রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কাউন্টারের ভেতরে তাঁকে গুলি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সাইলেন্সর পাইপ খোলা মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তির একজন কাউন্টারে ঢুকে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহতের স্ত্রী শারমিন নাহার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মাগুরা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. কামরুজ্জামান জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে প্রাথমিকভাবে জড়িত থাকার সন্দেহে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁদের রিমান্ড চাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।