October 10, 2026, 5:50 am
শিরোনাম :
সড়কের বেহাল দশায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মাহমুদা মিতুর কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যা, ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারির পরীক্ষামূলক প্রকল্প, সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের- প্রতিমন্ত্রী।  ভাঙ্গায় বাসে পুলিশের অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার যাত্রী স্থানীয়নির্বাচনে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করুন- পীর সাহেব চরমোনাই ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে দেশীয় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো বন্ধু ও ভ্রমণপ্রিয় পাত্র চান মিমি হুথিদের পতন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য ইয়েমেনের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্যে দক্ষতা জরুরি: ববি হাজ্জাজ

৬ দশমিক ৭ ডিগ্রিতে কাঁপছে নওগাঁ 

অভয়নগর প্রতিবেদক

ঘড়ির কাটা সকাল সাড়ে ৮টার ঘরে। ঝাড়ছে শিশির, পড়ছে কুয়া। কুয়াশার কারণে দেখা নেই সূর্যের। মেঘলা রয়েছে আকাশ। আর ঘন কুয়াশার সাথে উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নওগাঁর মানুষের জনজীবন। প্রায় গত দুই সপ্তাহ থেকে হাড়কাঁপানো ঠান্ডার জবুথবু এ অঞ্চলের জনজীবন।
এখানে কয়েকদিন থেকে তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করছে ৮ থেকে ১১ ডিগ্রির ঘরে। এবার উত্তরের জেলা নওগাঁয় ৭ এর ঘরে নেমেছে তাপমাত্রা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় বদলগাছী জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এটিই চলতি শীত মৌসুমে নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গত মঙ্গলবার (৬জানুয়ারি) তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি রকর্ড করা হয়েছিল।
এদিন সকাল ৮টায় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক বিষয়টি মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন।
হামিদুল হক বলেন, শীত যাচ্ছে না। আরও কয়েক দিন এরকম থাকবে। বর্তমানে নওগাঁর ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তাকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। এছাড়াও ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে শীতের প্রকোপ অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
এদিকে কনকনে শীতের কারণে জনজীবন জবুথুবু হয়ে পড়েছে। নেমে এসেছে তীব্র শীতের ভয়। আর খেটে খাওয়া মানুষেরা পড়েছে বেকায়দায়। নওগাঁর সাধারণ মানুষ শীতের কারণে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। আর যারা জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন তারা পড়েছেন চরম বেকায়দায়।
শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। আজ ভোর থেকেই কুয়াশায় ঢাকা পড়ে আছে পথঘাট। দশ হাত পর পর কোন কিছু দেখা যাচ্ছে না। সড়কগুলোতে দুর্ঘটনা এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহগুলো চলাচল করছে। শহরে লোক ও যানবাহন চলাচল অনেক কম। মাঠে কৃষিকাজ প্রায় হচ্ছেই না। শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষেরা কনকনে শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষার জন্য অনেকেই বাড়ির আঙিনা ও ফুটপাতসহ চায়ের দোকানের চুলায় বসে আগুন পোহাচ্ছেন।
কৃষক সামিউল বলেন, অনেক ঠান্ডা পড়েছে। এই ঠান্ডায় জমিতে যেতেই ভয় লাগে। তারপরও যেতে হয়।
কয়েকজন অটোরিকশা চালকরা বলেন, মাঝে মাঝে ভাবি, এই ঠান্ডায় গাড়ি নিয়ে বের হবোনা। কারণ ঠান্ডার কারণে যাত্রী বের হতে চায়না। তারপরও জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়।



ফেসবুক কর্নার