May 14, 2026, 11:17 am
শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং ইবি থিয়েটারের নতুন নেতৃত্বে প্রণয় ও জ্যোতি

চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নুরু–কাশেম চক্রের হাতে

Reporter Name

স্টার রিপোর্টার
চট্টগ্রাম EPZ ও পতেঙ্গা থানার গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার পরিবহনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি চলছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ক্ষমতাসীন দল ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে পরিচিত নুরু ও কাশেম নামের দুজনের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয় পরিবহন–সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় ১৫০–২০০ হিউম্যান হলার এই সড়কে চলাচল করে। এর মধ্যে মাত্র ৮০–৯০টি গাড়ির বৈধ রুট পারমিট থাকলেও বাকিগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে। অভিযোগ রয়েছে—নুরু–কাশেম চক্রের কাছে চাঁদা দিলেই অবৈধ গাড়িগুলো নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
একজন লাইনম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “পারমিট না থাকলেও চাঁদা দিলে সব ঠিক। নুরু ও কাশেমের লোকেরা দৈনিক ১২০ টাকা ছাড়াও মাসিক ২–৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়।”
চাঁদাবাজির অভিযোগ বিষয়ে কাশেমকে ফোনে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের নাম প্রকাশ না করে জানান, “আমি একা খাই না। স্থানীয় নেতাদেরও মাসিক দিতে হয়।”
অন্যদিকে EPZ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কারুজ্জামান দাবি করেন, তারা কাউকে চাঁদাবাজির সুযোগ দেন না এবং নিয়মিত মামলা করছেন। তবে মাঠপর্যায়ে চাঁদাবাজি বন্ধ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—কারা এই চক্রকে রক্ষা করছে?
তদন্তে আরও ইঙ্গিত মিলেছে, নুরু–কাশেম চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দর সড়ককে “টাকা তুলার নিরাপদ ক্ষেত্র” হিসেবে ব্যবহার করছে এবং বছরে কয়েক কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন চলবে



ফেসবুক কর্নার