July 14, 2026, 9:32 pm
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর ‌‘গায়েবানা জানাজা’ বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: শেখ হাসিনাকে আইনমন্ত্রী ১০ ঘণ্টা পর আন্দোলন স্থগিত, রাতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটক খুলে নিয়ে গেলেন বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা মহেশপুরে পুলিশের অভিযানে ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার, পিতা-পুত্রসহ আটক ৪ পরীক্ষা দু-এক দিন পেছানো গেল না, সংসদে শিক্ষামন্ত্রীকে রুমিনের প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে উত্তাল ময়মনসিংহ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নুরু–কাশেম চক্রের হাতে

Reporter Name

স্টার রিপোর্টার
চট্টগ্রাম EPZ ও পতেঙ্গা থানার গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার পরিবহনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি চলছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ক্ষমতাসীন দল ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে পরিচিত নুরু ও কাশেম নামের দুজনের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয় পরিবহন–সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় ১৫০–২০০ হিউম্যান হলার এই সড়কে চলাচল করে। এর মধ্যে মাত্র ৮০–৯০টি গাড়ির বৈধ রুট পারমিট থাকলেও বাকিগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে। অভিযোগ রয়েছে—নুরু–কাশেম চক্রের কাছে চাঁদা দিলেই অবৈধ গাড়িগুলো নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
একজন লাইনম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “পারমিট না থাকলেও চাঁদা দিলে সব ঠিক। নুরু ও কাশেমের লোকেরা দৈনিক ১২০ টাকা ছাড়াও মাসিক ২–৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়।”
চাঁদাবাজির অভিযোগ বিষয়ে কাশেমকে ফোনে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের নাম প্রকাশ না করে জানান, “আমি একা খাই না। স্থানীয় নেতাদেরও মাসিক দিতে হয়।”
অন্যদিকে EPZ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কারুজ্জামান দাবি করেন, তারা কাউকে চাঁদাবাজির সুযোগ দেন না এবং নিয়মিত মামলা করছেন। তবে মাঠপর্যায়ে চাঁদাবাজি বন্ধ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—কারা এই চক্রকে রক্ষা করছে?
তদন্তে আরও ইঙ্গিত মিলেছে, নুরু–কাশেম চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দর সড়ককে “টাকা তুলার নিরাপদ ক্ষেত্র” হিসেবে ব্যবহার করছে এবং বছরে কয়েক কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন চলবে



ফেসবুক কর্নার