March 9, 2026, 4:26 pm
শিরোনাম :
কয়রা সদর ইউনিয়নে এলএলএপি অভিযোজন প্রক্রিয়ার ত্রৈমাসিক ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়ার মেধাবী শিক্ষার্থী রিজওয়ান হোসেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে চান্স অর্জন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিকে বেকারিতে নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহারের দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা বান্দরবানে পার্বত্য জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত টঙ্গীবাড়ীতে বেস্ট ফ্রেন্ড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০০ পরিবারে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ওয়াশিংটনের নতুন দুঃস্বপ্ন কি মুজতবা খামেনি? কাশিয়ানীতে ওবায়দুর সিকদার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি নড়াইলে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্তে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, শিক্ষিকা বিনা অনুমতিতে বিদেশ গমন ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে, বেশি আক্রান্ত শিশু ও বয়স্করা পানছড়ির যুবসমাজের উদ্যোগে অসহায় পরিবার পেল টিনসেট ঘর

ভোমরা মাদক ব্যবসা রমরমা  ভিডিওতে ফেনসিডিল বিক্রি করতে দেখা গেল সুজন গাইনকে

Reporter Name

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী ভোমরা নবাদকাটী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হলেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিষয়টি। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভোমরা নবাদকাটী গ্রামের ভৌরব গাইনের ছেলে সুজন গাইন হাতে ফেনসিডিল নিয়ে তা বিক্রি করছেন। ভিডিওটি দেখে স্থানীয়দের অনেকেই দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরে সে প্রকাশ্যেই মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুজন গাইন শুধু ফেনসিডিল নয় ইয়াবা, গাঁজা, হিরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্যের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, তার কাছে পাইকারি ও খুচরা দুইভাবেই মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়। সীমান্তবর্তী হওয়ায় সহজেই এসব মাদক বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।
এলাকাবাসীর দাবি, সুজন গাইনের মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। অনেক তরুণ মাদকের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে, বাড়ছে সামাজিক অপরাধ। পরিবারগুলো উদ্বেগ ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “এলাকায় এমন কোনো নেশাজাতীয় মাদক নেই যা তার মাধ্যমে পাওয়া যায় না। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই এই ব্যবসা চলছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”
এদিকে সরকার যখন মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে, তখন সীমান্তঘেঁষা এই এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চলতে থাকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—কিভাবে একজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে এমন অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে?
অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্য মাদক সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা বা উৎকোচ গ্রহণ করছে কি না এমন প্রশ্নও এখন মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
সাংবাদে উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তি সুজন গাইনের সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদক কে বলেন, এটা অনেক আগের ভিডিও আমি আগে বিক্রি করতাম এখন আর করিনা।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহা. মাসুদুর রহমানের ব্যবহারিত মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার কল দিলে আলাপ কলটি গ্রহণ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, ভিডিও টা আমাকে দেন। আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।
সচেতন মহলের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধ করতে হলে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় মাদকের ভয়াল থাবায় পুরো



ফেসবুক কর্নার