May 14, 2026, 4:50 pm
শিরোনাম :
ইবিতে গ্রীন ভয়েসের আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ জাককানইবির নতুন উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. মোশাররফ হোসেন বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান মুকসুদপুরে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পরিচালক খয়ের উদ্দিন মোল্লা উপবন এক্সপ্রেসের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা

‘আমরা আমাদের কথা রেখেছি’

অভয়নগর প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সরকারে আসলে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে৷ আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে যাচ্ছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি৷

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ইউআই আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। এই কার্ড সবাই পাবেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে। শুধু সময়ের ব্যাপার৷ ফ্যামিলি কার্ড একটা শক্তি বা ক্ষমতা৷ যেটা নিয়ে আপনি সব জায়গায় দাঁড়াতে পারবেন৷ এই কার্ডের মাধ্যমে একটা ক্ষমতা তৈরি হবে আপনাদের। পুরুষরা আপনাদের গুরুত্ব দেওয়া শুরু করবে৷ সবার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তিনি আমাদের এই এলাকা বেছে নিয়েছেন৷

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারে আসার ২২ দিনের মধ্যে কার্ড দিয়েছি। ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ১৬ তারিখে খাল খনন শুরু হবে। বর্ষার সময় যে পানি হয় সেটা সংরক্ষণ করে খরায় কাজে লাগানো হবে৷ প্রত্যেকটা কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। তা দিয়ে ন্যাযমূল্যে সার, সেচ ও বীজ কিনতে পারবেন৷

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর আইন-কানুন ছিল না৷ আমাদের নানাভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। টাকা ছাড়া কার্ড পাওয়া যেত না। এবারে কোনো টাকা পয়সা লাগেনি৷ হতাশ হবেন না, সবাইকে কার্ড দেওয়া হবে। নারী ডিসি, এসপিরাও কার্ড পাবেন৷ তিনি কী কাজে ব্যবহার করবেন সেটা পরের বিষয়৷ জনগণের শক্তির কাছে কোনো শক্তিই বড় নয়৷

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বলেছিলাম আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন৷ আমি আপনাদের ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না৷ তবে কিছু কাজ করার ইচ্ছা আছে৷ ২৭ সালে মেডিকেল কলেজে ভর্তি শুরু হবে৷ বিশ্ববিদ্যালয়-বিমানবন্দরের কাজ শুরু হবে। বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাদকের রোষানল থেকে প্রজন্মকে রক্ষা করব৷



ফেসবুক কর্নার