
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম বন্দরে তৎপরতা বেড়েছে। বর্তমানে বন্দরের বহির্নোঙরে ছয়টি জাহাজ থেকে এলপিজি, এলএনজি ও জ্বালানি তেল খালাসের কাজ চলছে। এছাড়া জ্বালানি নিয়ে আরও চারটি জাহাজ বন্দরের পথে রয়েছে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বুধবার এক ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের হারবার অ্যান্ড মেরিন সদস্য কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ এসব তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দেশের পথে থাকা চারটি জাহাজের মধ্যে একটি জাহাজ আজ (১১ মার্চ) বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া আরও দুটি জাহাজ আগামী ১২ মার্চ ও ১৪ মার্চের মধ্যে বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করবে।
কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা বিবেচনায় জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে ‘অগ্রাধিকার বার্থিং’ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ফলে বন্দরে পৌঁছানোর পর দ্রুততম সময়ে এগুলো জেটিতে ভেড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বহির্নোঙরে অবস্থানরত বড় জাহাজ বা ‘মাদার ভেসেল’-গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো দ্রুত খালাস করা আমাদের অগ্রাধিকার। বহির্নোঙরে থাকা মাদার ভেসেলের নিরাপত্তায় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, এলপিজি ও এলএনজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ তৎপরতা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।