April 23, 2026, 10:38 pm
শিরোনাম :
ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ

অভৈয়নগর প্রতিবেদক

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। আমদানিকৃত জ্বালানি খালাসে গতি আনতে বন্দরে ভিড়ছে আরও দুটি বড় জাহাজ।

বর্তমানে খালাস চলতে থাকা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ ও ‘এলপিজি সেভেন’-এর মধ্যে প্রথমটি আগামীকাল (বুধবার) এবং দ্বিতীয়টি আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) বন্দরে ভিড়বে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই জাহাজ দুটির আগমন জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে গত ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করছে। জাহাজটি থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস করা হয়েছে। ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে এর সম্পূর্ণ খালাস প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জাহাজটি আগামীকাল বুধবার মূল বন্দরে ভিড়বে।

অন্যদিকে, ‘এলপিজি সেভেন’ নামের জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছায় এবং বর্তমানে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এখন পর্যন্ত জাহাজটি থেকে প্রায় ৭ হাজার ২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস হয়েছে। ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে জাহাজটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী শুক্রবার এটি বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে।

বন্দরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে অধিকাংশ ইতোমধ্যে কার্গো খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজ এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও ও বেস অয়েল সরবরাহ করেছে। এ ছাড়া কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে এলএনজি, এইচএসএফও ও এলপিজিবাহী আরও কয়েকটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের পথে (প্যাসেজ) রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজগুলোর আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

সূত্র: বাসস



ফেসবুক কর্নার