May 14, 2026, 12:53 pm
শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা শিবচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির রৌমারী, ১৮৪ মিমি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন সরকারের উন্নয়ন বার্তা পৌঁছে দিতে গুইমারায় তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং ইবি থিয়েটারের নতুন নেতৃত্বে প্রণয় ও জ্যোতি

বিএনপি প্রতিবার দেশে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পেরেছে: তারেক রহমান

Reporter Name

মোঃ ইসমাইল হোসেন।

বিএনপি সরকার দেশে প্রতিবার দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পেরেছে বলে দাবি করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব সাহায্য এসেছিল কিন্তু দুর্নীতির কারণে সেগুলোর কি অবস্থা হয়েছিল সবার জানা আছে। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান দেশের ক্ষমতায় এসে ওই পরিস্থিতি থেকে বের করে শুধু খাদ্য উৎপাদন করলেন না, দেশ থেকে অল্প পরিমানে হলেও খাদ্য রফতানি করেছিল।
আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক তৃতীয় দিনে কর্মসূচীতে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলের ৩ বছরের দুর্নীতিতে ২০০১ সালে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। পরবর্তীতে ২০০১ থেকে ২০০৫ বিএনপি দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কীভাবে বাংলাদেশকে দুর্নীতির তকমা থেকে ধীরে ধীরে বের করে এনেছিল। এটি বিএনপির কথা না, এটি একটি স্বাধীন সংস্থার জরিপের কথা।
দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতি দমনের ট্র্যাক রেকর্ড বিএনপির আছে। সরকারের দুর্নীতি তদন্ত করতে সরকারের অনুমতি লাগবে, এই নিয়ম আওয়ামী লীগ করেছিল। খালেদা জিয়ার সরকারের মতো দুর্নীতি দমন কমিশন কারও অনুমতি ছাড়াই আবারও তদন্ত করবে।

একইসঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে কঠোর হতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে দেশে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। দেশ গড়তে যেসব পরিকল্পনা আজ নেয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে অবশ্যই আইনশৃঙ্খলার ব্যাপারে কঠোর হতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন নিজ দলের কোনো নেতা-কর্মী অপরাধ করে থাকলে সেই অন্যায়কে আইন দিয়ে বিচার করতে। কাউকে কোনো ধরনের সুবিধা দেওয়া হয় না।
তালপট্টির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে বিএনপি অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছিল, এটি ছিল বাংলাদেশের অংশ। একইভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গিয়েও বলেছি, আমাদের পানির হিস্যা বুঝে দিতে হবে, সেটি বের করে আনতে পেরেছিলাম। দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছে নিরাপদ। দেশের দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরাও বিএনপির ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে।
কৃষকদের ভবিষৎ ভাবনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। সবচেয়ে বঞ্চিত পরিবারের মা-বোনরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবে। তারপর সব শ্রেণীর পরিবারের নারীরাও এর সুবিধা পাবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু স্কুল-কলেজ, রেল স্টেশন, এয়ারপোর্ট নয়, বিভিন্ন এলাকায় ক্যাফেটেরিয়াতে ফ্রি ইন্টারনেট সম্প্রসারণ করা হবে, যেখানে ছেলেমেয়েরা কাজ করতে পারবে। ফ্রি ইন্টারনেটের এরিয়া বাড়ানোর পরিকল্পনা বিএনপির। রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা জনগনের কাছে নিয়ে যাওয়া। তরুণরা যাতে তাদের কাজ করতে পারবে। জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে ভাষা শিক্ষা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট করা হবে। শিক্ষা কারিকুলামে অতিরিক্ত ভাষা যোগ করা হবে, বাচ্চারা পছন্দের ভাষা শিখবে।
নারী শিক্ষা প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। সেজন্য ক্ষমতায় গেলে শিক্ষিত মায়ের পাশাপাশি স্বাবলম্বী মা হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। সমগ্র বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলেও মন্তব্য করেন।



ফেসবুক কর্নার