নাচোল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাওসার আলীর বিরুদ্ধে চুরি, দুর্নীতি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ
অভয়নগর প্রতিবেদক
Update Time :
Wednesday, January 7, 2026
/
102 Time View
/
Share
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাওসার আলীর বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদ চুরি, চিকিৎসা সেবায় ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং সেবা নিতে আসা নারীদের অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ডা. কাওসার আলী নাচোলে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত হন। তার বিরুদ্ধে প্রধান,
সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ: অফিসের বাউন্ডারির ইট এবং সরকারি পশুখাদ্য (ফিড) গোপনে বিক্রির অভিযোগ।
বিনামূল্যে সরকারি সেবা প্রদানের কথা থাকলেও সাধারণ কৃষকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায়।
সেবা নিতে আসা নারীদের কুপ্রস্তাব দেওয়া এবং অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা।
উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মাহফুজা বেগম, আমেনা বেগম, তাজরিন ও সালমা খাতুনসহ একাধিক ভুক্তভোগী নারী এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ভুক্তভোগী মৌসুমী খাতুন অভিযোগ করে বলেন, আমি ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে দুইবার ফিড (পশুখাদ্য) ক্রয় করেছিলাম। এরপর থেকেই তিনি আমাকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন কুরুচিপূর্ণ আচরণে আমরা স্তম্ভিত। মৌসুমী আরও জানান, খারাপ প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিষয়টি তিনি পরিবারকে অবগত করেছেন।
এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো অবিলম্বে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে মানববন্ধনসহ বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযুক্ত ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে ডা. কাওসার আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে লিখিত বিবৃতি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা প্রদান করেননি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কবীর উদ্দিন আহমেদ জানান, “আমি বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দাবি করেছেন এসব অভিযোগ মিথ্যা। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে