April 28, 2026, 2:07 am
শিরোনাম :
খুলনা প্রেসক্লাবে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ধামরাইতে অবৈধভাবে মজুদ করা ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ মৌলভীবাজারে আধুনিক পাবলিক লাইব্রেরি পুনঃস্থাপনের দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি খালপাড়–মসজিদ রোড সংযোগ সড়ক ও গণশৌচাগার নির্মাণে আবেদন কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছচাপায় প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা নারীর বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বিপুল ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পার্বতীপুরে কৃষি উন্নয়নে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জে ক্রয়কৃত জমিতে অবৈধ ছাদ নির্মাণের অভিযোগ, কাজ বন্ধের দাবি কুষ্টিয়ায় কোরআন অবমাননার অভিযোগে হত্যাকাণ্ড: এজাহারে নাম না থাকলেও গ্রেপ্তার দুই সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন

কয়রায় অবাধে চলছে কপোতাক্ষের চর দখল

অভয়নগর প্রতিবেদক

খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের নাকশা গ্রাম সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদ-এর জেগে ওঠা চরের জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী একটি চক্র নদীর চরে বাঁধ নির্মাণ করে ব্যক্তিমালিকানা দাবি করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি কয়েকদিন আগে এক বিধবা নারীর মাছের ঘের দখল, নেট-জাল ও পাটা লুটপাট এবং বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। এতে তার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী নারী স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত কয়রা থানা-য় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সরেজমিনে যা জানা গেল
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে জানা যায়, সম্প্রতি রাতের আঁধারে নদীর চরে মাটি কেটে সীমানা নির্ধারণের কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাজমুল সানার নেতৃত্বে মো. হাসান সানা, শাহাবুদ্দীন সানা, মুলতান সানা, হারুন সানাসহ ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল এ কাজে যুক্ত। সচেতন মহলের আশঙ্কা, এভাবে সরকারি জমি দখল অব্যাহত থাকলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে এবং বর্ষা মৌসুমে ভাঙন ও জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম বলেন, “নদীর সামনে জেগে ওঠা চর নিজেদের দাবি করে একটি চক্র সংঘবদ্ধভাবে একের পর এক মাছের ঘের ও সরকারি জমি দখলে নিচ্ছে। কেউ প্রতিবাদ করলে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভয় দেখানো ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে অনেকে সাহস করে মুখ খুলতে পারছে না।” তিনি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযুক্তদের বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহাবুদ্দীন সানা, হাসান সানা ও নাজমুল সানা দাবি করেন, জেগে ওঠা চর তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির অংশ। তাদের ভাষ্য, “নদীভাঙনে আগে জমি বিলীন হয়েছিল। এখন চর জেগে ওঠায় আমরা আমাদের জমির অংশে বাঁধ দিচ্ছি।”
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, নদীর চর সরকারি সম্পত্তি; অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কপোতাক্ষের চর দখল ঘিরে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার