July 1, 2026, 6:10 pm
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গায়ে হলুদের আগের দিন গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা ১৮ মাসের প্রকল্প ৭২ মাসেও শেষ হয়নি, ভোগান্তিতে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের রোগীরা জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, নেতৃত্বে হৃদয় সৌহার্দ্যের নিদর্শন হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ ১ জুলাই শুরু হয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজের আহ্বান জানালেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নিখোঁজের একদিন পর সিলেটে উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ের চার স্কুলছাত্রী অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

সৌহার্দ্যের নিদর্শন হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

অভয়নগর প্রতিবেদক

প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ৬০০ কেজি আম পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
বুধবার (১ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আমের চালান ভারতে পাঠানো হয়। উপহারের তালিকায় ছিল বাংলাদেশের জনপ্রিয় জাতের আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা আম।
আখাউড়া স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উপহারটি হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো আম গ্রহণ করেন আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের প্রতিনিধি এবং ভারতীয় কাস্টমস ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আমের মৌসুমে প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বাংলাদেশ থেকে আম পাঠানো একটি দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ঐতিহ্য। এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, আস্থা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখে।
উপহার হিসেবে পাঠানো আমগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সুস্বাদু ও জনপ্রিয় জাতের আম্রপালি এবং উত্তরাঞ্চলের বিখ্যাত হাঁড়িভাঙ্গা আম সতেজ অবস্থায় বিশেষ প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
আম হস্তান্তরের সময় আখাউড়া স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, বিজিবি, স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চালানটি ভারতে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
কূটনৈতিক মহলের মতে, প্রতিবছরের এই শুভেচ্ছা উপহার বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।



ফেসবুক কর্নার