August 23, 2026, 3:28 pm
শিরোনাম :
২৩ লাখ টাকার কালভার্টে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তমা মির্জার চাকরি নিয়ে বিতর্কে মুখ খুললেন ভাবনা গান্ধীর হাতে লেখা ৬৮৮ ভাবনা ও চিঠি নিলামে বিক্রি ২০ কোটি টাকার বেশি রাতভর পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ১০ হৃত্বিককে প্রথম পর্দার চুম্বনে কেন রাজি হয়েছিলেন ক্যাটরিনা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিলেন জহির উদ্দিন স্বপন চিকিৎসক সংকটে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল, ৬৬ পদের ৫৩টিই শূন্য বেবী নাজনীনের জন্মদিনে আজ, ভাইয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন প্রথমবারের মতো টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে বাংলাদেশ স্বর্ণ কারিগর আল-আমিন হত্যা মামলায় ‘ব্ল্যাক আলামিন’ গ্রেপ্তার

২৩ লাখ টাকার কালভার্টে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ

মাসুদ খান, পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী খালের ওপর নির্মিত একটি বক্স কালভার্ট নিয়ে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রায় ২৩ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫২ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে নির্মিত কালভার্টটির কাজে নকশা ও প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, প্রায় ২৩ লাখ টাকার প্রকল্পে বাস্তবে ১০ লাখ টাকারও কম মূল্যের কাজ করা হয়েছে। তবে প্রকৃত কাজের পরিমাণ ও ব্যয়ের হিসাব যাচাই করতে সরকারি সংশ্লিষ্ট নথি পরীক্ষা প্রয়োজন।
প্রকল্পটির কার্যাদেশ ‘শাইমা শাহিল এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় কম কাজ করা হয়েছে। কাজের মান ও পরিমাণ যথাযথভাবে যাচাই না করেই চূড়ান্ত বিল পরিশোধ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। এ বিষয়ে প্রাক্কলন, কার্যাদেশ, পরিমাপ বহি (এমবি), বিল-ভাউচার, চূড়ান্ত বিল ও কারিগরি পরিদর্শন প্রতিবেদন যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে প্রকল্পটির অনিয়ম নিয়ে গণমাধ্যমে অনুসন্ধান শুরু হলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের দাবি, সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ করার দায়িত্ব উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের কর্মচারী শাহিন হায়দারকে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। প্রকল্পের তদারকি ও বিল পরিশোধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি নথি প্রকাশ করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয়, কাজের পরিমাণ ও অনিয়মের বিষয়টি নিশ্চিত করা হোক।



ফেসবুক কর্নার