August 25, 2026, 3:10 am
শিরোনাম :
মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার নিজের ফলানো ওল কচু দিয়ে ফিউশন রান্নায় মুগ্ধতা ছড়ালেন জয়া আহসান সন্তান জন্মে ৬৭ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেবে সিঙ্গাপুর সরকার মেয়েদের ষষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যন্ত উপবৃত্তি চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ মদ খেয়ে’ টালমাটাল গোখরার ভিডিও ভাইরাল জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয় থেকে ১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা গণহত্যা ও বাস্তুচ্যুতির কালো দিবস অনেকে ছাত্র অভ্যুত্থান নিজেদের নামে চালাতে চায়: খন্দকার মোশাররফ অন্তর্বাস পরে রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপন, তুমুল সমালোচনায় কৃতি

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার

অভয়নগর প্রতিবেদক

মাগুরায় বহুল আলোচিত আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে আগামী মঙ্গলবার রায়ের দিন ধার্য করেন। আদালতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক শুনানিতে অংশ নেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। অভিযোগ ওঠে, বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পাশাপাশি হত্যার চেষ্টা করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ পরে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৩ এপ্রিল অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয় এবং রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ২০২৫ সালের ১৭ মে রায় ঘোষণা করেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপর তিন আসামি সজীব শেখ, তার ছোট ভাই এবং মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য মামলার নথি গত বছরের ২১ মে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে পেপারবুক প্রস্তুত করে ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এখন উচ্চ আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে মামলার বাদীপক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা।



ফেসবুক কর্নার