
রংপুরে পুলিশের হাতে আটক সিদ্ধার্থ দাসকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করার পর তাঁর পরনের পোশাক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিবারের দাবি, আটকের সময় সিদ্ধার্থের গায়ে শুধু একটি গেঞ্জি ছিল। পরে সাংবাদিকদের সামনে আনার সময় তাঁর পরনে একটি নকশাযুক্ত শার্ট দেখা যায়, যা পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী সিদ্ধার্থের নিজের ছিল না। এ ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় ছেলের গায়ে কেবল গেঞ্জি ছিল। পরে তাকে যখন সাংবাদিকদের সামনে আনা হয়, তখন তাঁর গায়ে ওই শার্ট দেখা যায়। একই দাবি করেছেন সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাসও। তাদের ভাষ্য, ওই ধরনের নকশার শার্ট সিদ্ধার্থকে কখনো পরতে দেখা যায়নি। স্বজনদের দাবি, গত শনিবার রাতে গণপতির বাড়িতে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতির পর রোববার ভোরে চাচার বাড়ি থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় সিদ্ধার্থকে ডেকে এনে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে রংপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীকে একই ধরনের নকশার শার্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে সিদ্ধার্থের পরনেও একই নকশার শার্ট দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে ডিবি কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী ঘটনাটিকে ‘সম্পূর্ণ কাকতালীয়’ বলে দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্য, ওই ধরনের শার্ট রংপুরে আরও অনেকের থাকতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, সিদ্ধার্থকে আটকের পর কার্যালয়ে নেওয়ার সময়ও তাঁর গায়ে ওই শার্টই ছিল। অন্যদিকে পরিবারের সদস্যরা তাঁদের বক্তব্যে অনড়। ফলে সিদ্ধার্থের পরনে শার্টটি কীভাবে এলো, তা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।