August 29, 2026, 6:12 am
শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চট্টগ্রামসহ চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত কারিনার প্রেমে পড়তেই সাইফকে কেন সাবধান করেছিলেন অক্ষয়? টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ, ১৭ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১৫ জনের কারাদণ্ড মির্জা ফখরুলকে পুতিনসহ ৭ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের অভিনন্দন ‘আমার মানুষগুলো শুধু আমার টাকাই চেয়েছিল’, আক্ষেপ শাকিলার খেলাফত মজলিসের সাবেক মহানগর সেক্রেটারির ইসলামী আন্দোলনে যোগদান মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত ব্যস্ত শিডিউলেও প্রাণবন্ত থাকতে রাশমিকার সহজ ফিটনেস নেপালে শুটিং শেষে বিপর্যয়ের মধ্যে ফিরলেন অভিনেতা খরাজ 

হবিগঞ্জে মুক্তাদির, মৌলভীবাজারে আরিফ, সিলেট-সুনামগঞ্জে গউছ মৌলভীবাজার

এম ডি রহিম মিয়া

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন এবং সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব বণ্টনের কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সমন্বয় করবেন।
সিলেট বিভাগের চার জেলার মধ্যে খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরীকে মৌলভীবাজার এবং মো. জি কে গউছকে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে মৌলভীবাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, চোরাচালান দমন এবং সরকারি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তদারকিতে দায়িত্ব পালন করবেন আরিফুল হক চৌধুরী। একইভাবে হবিগঞ্জে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জে মো. জি কে গউছ দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা জেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং পুরোনো অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। পাশাপাশি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও তদারকি করবেন। প্রয়োজনে জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে। মৌলভীবাজারের দায়িত্ব আরিফুল হক চৌধুরী পাওয়ায় সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।



ফেসবুক কর্নার