October 14, 2026, 8:44 am
শিরোনাম :
মমতার বাসভবনের সামনে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, নারী আটক তারেক রহমানকে ফিটনেসবিহীন গাড়ির চালক বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ রাশেদের পোস্টে সারজিসের কটাক্ষ, ‘দুই টাকারও দাম দেয় না’ ফারুকের নিয়োগ নিয়ে পাটওয়ারীর কটাক্ষ, ‘বিদ্যুতে পিএইচডি’ এলপিজি ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে মোবাইল ল্যাবের কার্যক্রম দেখলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে অবরোধ, অচল বিমানবন্দর সড়ক ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা নয়, বাড়ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভিসা আবেদনে দালাল থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ সহকারী হাইকমিশনারের

চাকরির প্রলোভনে তিন লাখ টাকা নেওয়া ও ধর্ষণের অভিযোগ, তদন্তে উঠছে নানা প্রশ্ন

অভয়নগর প্রতিবেদক

ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে বিদ্যুৎ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস এবং পরে ঢাকায় ভাইভা দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আশরাফুল কবির তনয় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বাজারপাড়া এলাকার নাছরিনের দাবি, ছয় লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার কথিত চুক্তির অংশ হিসেবে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকার মতিঝিল এলাকার একটি বিদ্যুৎ অফিসে নিয়ে মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলা হয়। এরপর অন্য অফিসে নেওয়ার কথা বলে একটি হোটেলে নিয়ে সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নাছরিন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।
নাছরিনের ভাষ্য, ঘটনার পর তিনি এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিলে তনয় তাকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর অনুরোধ এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রায় দুই দিন পর চাকরি ও বিয়ের কথা বলে তাকে সেখান থেকে নিয়ে একটি বন্ধুর বাসায় কয়েকদিন রাখা হয়। পরে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ দেওয়া হলেও কাজটি কষ্টসাধ্য হওয়ায় তিনি তা ছেড়ে দেন। এরপর প্রায় আট মাস পার হলেও চাকরি, বিয়ে কিংবা তিন লাখ টাকা—কোনোটিই ফেরত বা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ তার। নাছরিন দাবি করেন, তনয়ের সঙ্গে কথোপকথনের কিছু কল রেকর্ডও তার কাছে রয়েছে। তবে এসব রেকর্ডের পূর্ণাঙ্গতা ও সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। ঘটনাটির প্রকৃত চিত্র জানতে অর্থ লেনদেন, মোবাইল যোগাযোগ, কথিত বিদ্যুৎ অফিসে উপস্থিতি, হোটেলের সিসিটিভি, যাতায়াতের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।
অভিযোগ অস্বীকার করে আশরাফুল কবির তনয় বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে চাকরির সূত্রেই নাছরিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং তিনি তাকে প্রাণ-আরএফএলে চাকরি দিয়েছিলেন। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলেও পারিবারিক কারণে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। নাছরিনের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেওয়া কিংবা কোনো অর্থ লেনদেনের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন। এদিকে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে উঠে আসা অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত ও নথিপত্র বার্তা বিভাগের সংরক্ষণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে; সেগুলোর স্বাধীন যাচাইও প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অভিযোগের কোনো অংশ অসত্য হলে সেটিও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। অনুসন্ধানের পরবর্তী পর্বে কথিত তিন লাখ টাকার লেনদেন, চাকরির চুক্তি, মতিঝিলের বিদ্যুৎ অফিসে সাক্ষাৎ এবং প্রাণ-আরএফএলে চাকরির দাবির বাস্তবতা যাচাইয়ের চেষ্টা থাকবে। উক্ত অভিযোগের সকল তথ্য প্রমাণ আমাদের বার্তা বিভাগে সংরক্ষিত আছে। দ্বিতীয় পর্ব দেখতে চোখ রাখুন জাতীয় দৈনিক অভয়নগর পত্রিকার ও মাল্টিমিডিয়াতে।



ফেসবুক কর্নার