October 14, 2026, 8:44 am
শিরোনাম :
মমতার বাসভবনের সামনে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, নারী আটক তারেক রহমানকে ফিটনেসবিহীন গাড়ির চালক বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ রাশেদের পোস্টে সারজিসের কটাক্ষ, ‘দুই টাকারও দাম দেয় না’ ফারুকের নিয়োগ নিয়ে পাটওয়ারীর কটাক্ষ, ‘বিদ্যুতে পিএইচডি’ এলপিজি ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে মোবাইল ল্যাবের কার্যক্রম দেখলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে অবরোধ, অচল বিমানবন্দর সড়ক ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা নয়, বাড়ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভিসা আবেদনে দালাল থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ সহকারী হাইকমিশনারের

ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার, এলজি বন্দুকসহ অস্ত্র উদ্ধার

আজিজুল হক সুমন, স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চাঞ্চল্যকর ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি জিসানকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি দেশীয় তৈরি একনলা এলজি বন্দুকসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল)-এর তত্ত্বাবধানে এবং চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২৮ আগস্ট দুপুর ১টা ১০ মিনিটে চকরিয়া থানাধীন পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বটতলী বাজারের দক্ষিণ কোনাখালী এলাকা থেকে জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তিনি চকরিয়া থানার মামলা নং-২০/২৪৭, তারিখ ১০ জুন ২০২৬-এর এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি। মামলাটি ডাকাতি ও ধর্ষণের অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জিসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে কোনাখালী ইউনিয়নের খাসপাড়া, দক্ষিণ কোনাখালী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পরে তার দেখানো ও শনাক্ত করা স্থান অনুযায়ী ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নূর মোহাম্মদের টিনের বসতঘরের কাঠের সিলিংয়ের ওপর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে একটি পুরোনো দেশীয় তৈরি একনলা এলজি বন্দুক, একটি সেলাই রেঞ্জ গ্রীল কাটার, একটি দামা ও একটি কিরিচ। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে এসব আলামত যথাযথভাবে জব্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার জিসান উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো ডাকাতির কাজে ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।
এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের বিষয়ে চকরিয়া থানায় ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এফআইআর নং-৪৫ এবং জিআর নং-৩৬৯ অনুযায়ী দ্য আর্মস অ্যাক্ট, ১৮৭৮-এর ১৯(এ) ধারায় পৃথক মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার জিসানকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, চকরিয়া থানা এলাকায় অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, মূল মামলাটি ডাকাতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগসংক্রান্ত হওয়ায় অভিযোগগুলোর বিচারিক সত্যতা আদালতের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।



ফেসবুক কর্নার