October 16, 2026, 1:35 pm
শিরোনাম :
দিল্লিতে পতাকা উত্তোলন কর্মসূচির আগে অভিজিৎ দীপকে আটক সৌদিতে নিহত মুফতি নাসরুল্লাহর পরিবারের পাশে এনসিপি হাসিনা সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে: জামায়াত আমির ইটভাটার পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য দলীয় প্রার্থী হারলে ইউনিয়নে উন্নয়নকাজ বন্ধের হুঁশিয়ারি চিফ হুইপের শ্যামলীতে ট্রাকচাপায় দুই নারী নিহত, পরিচয় শনাক্ত একজনের যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে চক্রের সাতজন গ্রেপ্তার, নিত ১০ লাখ টাকা দুর্গাপূজার পরিস্থিতি দেখতে মঙ্গলবার রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ, ক্ষুধা ও পুষ্টিহীনতা রোধে কার্যকর উদ্যোগের তাগিদ নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডের ৩২০ কোটি টাকার চুক্তি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

গুমের বিচার ও জবাবদিহিতে বিশ্ব ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ইসমাইল হোসেন

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিচার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাপী ঐক্য ও সংহতির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র বা সরকারের মাধ্যমে সংঘটিত গুমের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেককে জাগ্রত রাখতে প্রতিবছর আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভিক্টিমস ফার্স্ট, অ্যাকশন্স নাউ’। তিনি গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সকে বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর একটি এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের বিগত সরকারের বিরুদ্ধে গুম ও অপহরণের অভিযোগ তুলে বলেন, গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার দমনে গুম-অপহরণের পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে গোপন বন্দিশালা ব্যবহারের অভিযোগও তিনি তুলে ধরেন, যা জনপরিসরে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার হিসাব অনুসারে বিভিন্ন সময়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করে সাত শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছে। বর্তমান সরকার প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে বলেও তিনি জানান। গুম প্রতিরোধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম শুধু একজন মানুষের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নয়; এর সঙ্গে একটি পরিবারের স্বপ্ন, আশা ও স্বাভাবিক জীবনের ওপর গভীর প্রভাব পড়ে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের পর কেউ কেউ ফিরে এলেও ইলিয়াস আলী ও চৌধুরী আলমের মতো অসংখ্য মানুষের এখনও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সনদের ৭(২) অনুচ্ছেদে গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। তাই গুমের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।



ফেসবুক কর্নার