October 6, 2026, 5:56 am
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে রিকশাচালক আল আমিন হত্যা মামলায় সাবেক এমপি গ্রেপ্তার জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস আজ, প্রতিপাদ্য নির্ভুল নিবন্ধন শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চোটের পর ঘুমের সমস্যায় অমিতাভ, বদলাচ্ছেন ব্যস্ত রুটিন বক্তাবলী ফেরিঘাটে দুই ট্রাকের মাঝে চাপায় লাইনম্যান নিহত বোপারার ঝড়ে বাংলাদেশকে হারিয়ে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্সের জয় ময়মনসিংহ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, চক্রের সন্ধানে তদন্ত ১৪ মিনিটে চার গোল, বেলজিয়ামকে ৪-১ গোলে হারাল ফ্রান্স বাবার সন্দেহে ডিএনএ পরীক্ষা, মিলল হাসপাতালের শিশুবদলের সত্য রুশ ড্রোন হামলায় ভারতীয় নাবিক আহত, দিল্লির কঠোর প্রতিবাদ

বরিশালে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

রাসেল আহমেদ

বরিশালের বাকেরগঞ্জে পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে সোহেল শিকদার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের উত্তর কাজলাকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। নিহত মুক্তা আক্তার উপজেলার দুধল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সারসী এলাকার পাঞ্জু হাওলাদার বাড়ির মরহুম নিজাম হাওলাদার ও মিনারা বেগমের মেয়ে। গ্রেপ্তার সোহেল শিকদার দাড়িয়াল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কাজলাকাঠি এলাকার আলতাফ শিকদারের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে সোহেল শিকদার তার স্ত্রী মুক্তা আক্তারকে মারধর ও নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের ঘটনাটি তিনি নিজেই ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন বলেও স্থানীয়দের দাবি। পরদিন মুক্তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা—তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মুক্তা আক্তারের স্বামী সোহেল শিকদারকে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, ঘটনার আগে ও পরে কী ঘটেছিল এবং অভিযোগের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তির সম্পৃক্ততা কতটা—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখছে বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। অভিযোগের আইনগত নিষ্পত্তি তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে



ফেসবুক কর্নার