October 23, 2026, 10:48 am
শিরোনাম :
চোরাই রাবার উদ্ধারের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক হত্যার হুমকি! স্নাইপার মন্তব্যের সাহস বিরোধীদল জুগিয়েছে, দাবি রাশেদের এনসিপির ১৬ সদস্যের রাজনৈতিক পর্ষদে নতুন মুখ, বাদ দুই চিকিৎসাধীন মঈন খানকে দেখতে এভারকেয়ারে রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ছয় বাংলাদেশি ইলিয়াস আলীর উন্নয়নের ধারায় বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরে ৫০ সড়ক ও ৭ সেতুর উদ্যোগ বগুড়ার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, বৈষম্য দূর করার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিশ্চিত করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আহ্বান হেফাজতের মার্ভেল সিনেমায় ফিরছেন স্টার-লর্ড, নিশ্চিত করলেন ক্রিস প্র্যাট ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে রেকর্ডের ঝড়, ৪৩০ রান তাড়া করে জয়

আগামী অর্থবছরে চালু হবে ৮ বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতাল

অভয়নগর প্রতিবেদক

দেশের আটটি বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতালের অবকাঠামো নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং আগামী অর্থবছরের মধ্যেই হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাব ও সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে আধুনিক, সুলভ ও প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতালগুলোর যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল পদায়নের কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে রাজধানীর মহাখালীতে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গ বিশেষায়িত ক্যানসার চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সশস্ত্র বাহিনীর হাসপাতালগুলোতে ক্যানসার ও অনকোলজি ইউনিট চালু রয়েছে। পাশাপাশি ২৪টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ঢাকার চারটি শীর্ষস্থানীয় করপোরেট হাসপাতালেও ক্যানসারের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। আটটি বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতাল চালু হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রোগীদের রাজধানীকেন্দ্রিক চিকিৎসানির্ভরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ান সংকটের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যার কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে জনবল ঘাটতি রয়েছে। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে প্রতিটি উপজেলায় নতুন চিকিৎসক পদায়ন করা হয়েছে এবং গাইনি বিশেষজ্ঞসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতি পূরণে নিয়োগ ও প্রশিক্ষিত জনবল পদায়নের প্রক্রিয়া চলছে। মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) বন্ধ থাকা কার্যক্রম ধাপে ধাপে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নে সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে তদারকি জোরদার এবং দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।



ফেসবুক কর্নার