October 25, 2026, 6:44 am
শিরোনাম :
সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর নিভৃত দাফন: মধ্যরাতে মোবাইলের আলোয় কবর খুঁড়লেন স্বজনরা বিক্ষোভ মোকাবিলায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করল ফ্রান্স তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ সৃষ্টির প্রস্তাব পুত্রসন্তানের বাবা-মা হলেন মাওরা হোসাইন ও আমির গিলানি মুক্তির আগেই অগ্রিম বুকিংয়ে সাড়া ফেলেছে রণবীরের ‘রামায়ণ’ সকাল থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারছেন না ফারুকী বাংলায় কারচুপি করে বিজেপি জিতেছে: নাসিরুদ্দিন শাহ সৌদি বিমানবন্দরে আগুন নেভাতে গিয়ে কর্মীর মৃত্যু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ফিজিক্স টেস্ট সম্পন্ন শাহজালালের দানবাক্সে তারেক রহমানকে লেখা চিঠি

ভোলায় সার কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে

মোঃ ইসমাইল হোসেন

ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে নিতে পাইপলাইন নির্মাণে দীর্ঘ সময় লাগবে উল্লেখ করে ভোলাতেই শিল্প-কারখানা, সার কারখানা ও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে মহিলা আসন-১৭-এর সদস্য সুলতানা আহমেদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অন্তত সাত বছর সময় লাগতে পারে। তাই দীর্ঘ অপেক্ষা না করে স্থানীয়ভাবে গ্যাস ব্যবহার করে শিল্পায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভোলায় গ্যাসভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ রয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, স্থানীয় গ্যাস সম্পদ কাজে লাগিয়ে শিল্পায়ন করা গেলে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি ভোলার আঞ্চলিক অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভোলার গ্যাসকে জাতীয় স্বার্থে ব্যবহারের অংশ হিসেবে একটি বড় সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ভোলা জেলায় ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরেকটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়। ভেদুরিয়া ও ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এলএনজিতে রূপান্তর করে লাইটারেজ অপারেশনের মাধ্যমে খুলনার বিদ্যুৎ হাবে সরবরাহের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য একটি কৌশলগত উন্নয়ন কাঠামো নেওয়া হয়েছে। এতে আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য, প্রাকৃতিক সম্পদ, মানুষের চাহিদা, উপকূলীয় জলবায়ু ঝুঁকি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনায় ভোলা ও আশপাশের দ্বীপগুলোকে ব্লু ইকোনমির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ইলিশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, চরাঞ্চলে কৃষির বিকাশ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো এবং নৌ-নিরাপত্তার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংসদে জানান সরকারপ্রধান।



ফেসবুক কর্নার