
ঝালকাঠির নলছিটি পৌর এলাকার সূর্যপাশা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ফরহাদ হোসেনের একটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আগুনের সূত্রপাত হয় সূর্যপাশা এলাকার চেরাগ আলী মাস্টারের বাড়িতে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পাশের ফরহাদ হোসেনের বসতঘরও আগুনের কবলে পড়ে। স্থানীয়দের চোখের সামনে ঘরটি পুড়ে যায়। তবে অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে নলছিটি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। তবে সূর্যপাশা এলাকার সরু ও ভাঙাচোরা সড়কের কারণে ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়ি ঘটনাস্থলের কাছে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে জরুরি সেবার পূর্ণ সক্ষমতা তাৎক্ষণিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, পৌর এলাকার ঘনবসতিপূর্ণ গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িই যদি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, সূর্যপাশাসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও সংকীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব সড়কে সাধারণ মানুষের চলাচলেই দুর্ভোগ পোহাতে হয়; একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বড় জরুরি সেবার যানবাহন প্রবেশেও সমস্যা হয়। তারা সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার ও প্রশস্ত করার পাশাপাশি নির্মাণ ও সংস্কারে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, কোথাও অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর মতে, সড়ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সাধারণ যোগাযোগের পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত পৌঁছানোর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।