September 14, 2026, 4:11 am

১৪ বছর পর ‘ককটেল’ নিয়ে ভুল স্বীকার সাইফের

অভয়নগর প্রতিবেদক

২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ককটেল’ সিনেমায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপনাকে এখন কিছুটা পশ্চাৎপদ মনে করছেন অভিনেতা সাইফ আলি খান। বিশেষ করে একজন নারীকে প্রচলিত অর্থে ‘ভালো’ এবং অন্যজনকে ‘খারাপ’ হিসেবে দেখানোর যে প্রবণতা সিনেমাটিতে ছিল, সেটিকে নিজের ভুল হিসেবে দেখছেন তিনি। সম্প্রতি ‘গালফ নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিনেমাটি নিয়ে নিজের বর্তমান উপলব্ধির কথা জানান সাইফ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত ‘ককটেল’ সিনেমায় সাইফ আলি খানের সঙ্গে অভিনয় করেন দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টি। সিনেমায় দীপিকা অভিনীত ভেরোনিকা ছিলেন স্বাধীনচেতা, প্রাণবন্ত ও পার্টিপ্রিয়; অন্যদিকে ডায়ানা পেন্টির মীরা চরিত্রটি ছিল শান্ত, সংযত ও তুলনামূলকভাবে ঘরোয়া। গল্পের ধারাবাহিকতায় ভেরোনিকাকে অনেকটা বেপরোয়া ও সমস্যাসংকুল নারী হিসেবে এবং মীরাকে আদর্শ ও গ্রহণযোগ্য নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সাইফের মতে, এ ধরনের চরিত্রায়ন নারীদের নিয়ে প্রচলিত সামাজিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করে। নির্মাণের সময় বিষয়টি এভাবে ভাবা না হলেও সময়ের সঙ্গে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে।

২০১২ সালে মুক্তির পর ‘ককটেল’ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং সাইফের পাশাপাশি দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টির অভিনয়ও প্রশংসিত হয়। বিশেষ করে ভেরোনিকা চরিত্রটি দীপিকার অভিনয়জীবনের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে ওঠে। তবে এখন সাইফ মনে করছেন, ভেরোনিকার মতো চরিত্রকে শুধু নেতিবাচকভাবে দেখানো এবং মীরাকে ‘ভালো মেয়ে’র প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা যথেষ্ট প্রগতিশীল ছিল না। এদিকে ‘ককটেল’-এর দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের খবরও আলোচনায় এসেছে। যদিও নতুন সিনেমায় আগের চরিত্রগুলো কীভাবে উপস্থাপন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।



ফেসবুক কর্নার