
মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত ৯ হাজার ৭০০টি অভিযানে ৫৭ হাজারের বেশি অনিবন্ধিত বা অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সময়ে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর বিভিন্ন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৭২০ জন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এসব তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে কুয়ালালামপুরের শ্রী কলাম ফ্ল্যাটসে সমন্বিত ‘অপ মেগা’ অভিযান শেষে তিনি এসব তথ্য জানান। লোকমান এফেন্দি বলেন, ওই সময়ের হিসাব অনুযায়ী ইমিগ্রেশন বিভাগ গড়ে প্রতি দুই ঘণ্টায় তিনটি অভিযান পরিচালনা করেছে। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের পাশাপাশি আইন ও বিধি লঙ্ঘনকারী নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশি নাগরিকদের বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে সাধারণ মানুষকে নিজে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
শ্রী কলাম ফ্ল্যাটসে পরিচালিত অভিযানে ১৩৩ জন বিদেশি নাগরিককে পরীক্ষা করে ১৯ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি পুরুষ, ১৪ জন মিয়ানমারের নাগরিক এবং চারজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স এক মাস থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান, বৈধ কাগজপত্র না থাকা এবং পাস বা পারমিটের অপব্যবহারের মতো অভিযোগ রয়েছে। লোকমান এফেন্দি জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এক মাস বয়সী শিশুটির মা-সহ সাতজন মিয়ানমারের নারী অননুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে স্বামীদের সঙ্গে থাকতে সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন।