September 29, 2026, 2:09 pm

মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারের নাগরিক ফেরত পাঠানোয় জাতিসংঘের উদ্বেগ

অভয়নগর প্রতিবেদক

 

যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারের কয়েক হাজার নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠাতে মালয়েশিয়ার নেওয়া পদক্ষেপে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলেছে, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে দেশে ফেরার সুযোগ নেই। মঙ্গলবার প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিয়ানমারের নাগরিককে ফেরত পাঠানোর মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপ শুরু হয়। দেশটির আটককেন্দ্র থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে সম্মত ৫ হাজার নাগরিকের মধ্যে তাদের প্রথম দফায় পাঠানো হচ্ছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, তারা এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, মিয়ানমারজুড়ে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, ব্যাপক সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বর্তমান পরিস্থিতি নাগরিকদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফেরার সুযোগ দেয় না। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জুলাইয়ে জানিয়েছিলেন, মিয়ানমার নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৫ হাজার সদস্যকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। তবে এই প্রত্যাবাসন উদ্যোগ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার ফেরত পাঠানো প্রথম দফার নাগরিকদের মধ্যে কতজন রোহিঙ্গা রয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় থাকা মিয়ানমারের প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর দুই-তৃতীয়াংশই রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার পর চলতি মাসের শুরুতে মিয়ানমার বিদেশে বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়। সল্টমার্শ বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় কাউকে এমন কোনো দেশে পাঠানো উচিত নয়, যেখানে তিনি নিপীড়ন, নির্যাতন, গুরুতর ক্ষতি কিংবা জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য অন্য কোনো হুমকির মুখে পড়তে পারেন।



ফেসবুক কর্নার