রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কারের দাবির বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন তিনি। শিবিরের প্রকাশিত চিঠিতে তার বিরুদ্ধে আনা নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা, অর্থনৈতিক অনিয়ম ও অর্থের বিনিময়ে পদ-বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করে এগুলোকে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ বলে দাবি করেছেন আম্মার। বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।
নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশার অভিযোগ প্রসঙ্গে আম্মার বলেন, ক্যাম্পাস জীবনে কোনো নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ভাই-বোনের সম্পর্কের বাইরে কোনো আচরণ করেননি। চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, জুলাই নিয়ে একটি কনসার্ট আয়োজনের জন্য তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরামর্শে বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে ওই প্রস্তাবপত্রকে চাঁদা চাওয়ার চিঠি হিসেবে প্রচার করা হয়। অর্থের বিনিময়ে পদ-বাণিজ্যের অভিযোগও অস্বীকার করে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহীর একটি কমিটির সঙ্গে আগে বা পরে তিনি যুক্ত ছিলেন না।
শিবিরের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আম্মার জানান, তিনি অতীতে প্রকাশ্যেই শিবিরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং শিবিরের একটি অফিসিয়াল গানেও অভিনয় করেছেন। তবে শিবিরের প্রকাশিত চিঠিতে আনা কোনো অভিযোগের সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলে দাবি করেন। এর আগে বুধবার রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সীর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ২০২৫ সালে আম্মারকে শিবির থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে শিবিরের তিনটি চিঠি সামনে আসে। রাবি শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি মেহেদী হাসান চিঠিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ২০২৫ সালেই আম্মারকে শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়।