
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আসার পর বাবা-মা হারানো দোহার উপজেলার পাঁচ এতিম কন্যার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘এক মাসের ব্যবধানে মা-বাবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অভাবের সংসারে পাঁচ মেয়ের কী হবে!’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে প্রতিনিধি দল পাঠানোর নির্দেশ দেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে যায়।
প্রতিনিধি দলটি প্রয়াত কৃষক দম্পতি আবুল কালাম আজাদ ও ফরিদা বেগমের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেয় এবং পাঁচ কন্যার সঙ্গে কথা বলে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির জন্য আর্থিক সহায়তা ও উপহারসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়। মোমিন মিথুন বলেন, সংবাদমাধ্যমে পরিবারের দুর্দশার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে এবং তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতার নির্দেশ দেন।
তিনি আরও বলেন, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের অভাব-অনটন ও ঋণের চাপে মাত্র ৩১ দিনের ব্যবধানে মারা যান কৃষক আবুল কালাম আজাদ ও তাঁর স্ত্রী ফরিদা বেগম। প্রথমে ফরিদা বেগমের মৃত্যু হয়। এক মাসের ব্যবধানে নিজ বসতঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় আবুল কালাম আজাদের মরদেহ। সরকারি সূত্রে তারেক রহমান বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।