
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকালে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে একটি ভার্চ্যুয়াল জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৈঠকের খবর প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে।
ঘটনার পর কালীগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত কয়েকটি সংগঠনের কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তবে অভিযানে শীর্ষ বা প্রভাবশালী নেতারা আটক না হওয়ায় স্থানীয় সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় বিভিন্ন মহলে মূল পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
জানা গেছে, কয়েক ঘণ্টাব্যাপী ওই ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে কালীগঞ্জের একাধিক ইউনিয়নের দলীয় নেতাকর্মীরা যুক্ত ছিলেন। বৈঠকের খবর প্রকাশের পর স্থানীয় বিএনপির পক্ষ থেকে বিষয়টিকে উসকানিমূলক কাজ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার না হওয়া নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।