
যশোর শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে গড়ে ওঠা ফুডকার্ট ও ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানে খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানের একটি অংশে আগের দিনের বিক্রি না হওয়া খাবার পরদিন পুনরায় গরম বা প্রসেস করে নতুন খাবার হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। কম দামে খাবার পাওয়ায় শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসব দোকানের ওপর নির্ভরশীল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের শেষে অবিক্রীত চিকেন ফ্রাই, বার্গারের প্যাটি, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, স্যুপসহ বিভিন্ন খাবার পরদিন আবার গরম করে পরিবেশন করা হয়। বিশেষ করে মাংসজাতীয় খাবার যথাযথ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করলে তা দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ক্রেতাদের অভিযোগ, খাবারের স্বাদ বা গন্ধে অস্বাভাবিকতা বুঝলেও কম দাম ও দ্রুত খাবার পাওয়ার কারণে অনেকেই বিষয়টি এড়িয়ে যান। একই সঙ্গে ব্যবহৃত তেল কতদিন পরপর পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং কাঁচা ও রান্না করা খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
নগরবাসীর দাবি, জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় এসব খাবারের দোকানে নিয়মিত খাদ্যমান পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি পরিদর্শন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি তদারকি করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে খাবার কেনার আগে পরিচ্ছন্নতা, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও খাবারের মান সম্পর্কে ক্রেতাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।