
হবিগঞ্জের মাধবপুরের গৃহবধূ রেহেনা খাতুন গৃহকর্মীর ভিসায় সৌদি আরবে গিয়ে অতিরিক্ত কাজ, খাবার ও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছিলেন। গত ৩ অক্টোবর গোপনে পাঠানো তাঁর ভিডিওবার্তা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর বিষয়টি সরকারের নজরে আসে। পরে গত ৫ অক্টোবর সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে নেওয়া হয় রেহেনাকে। তিনি মাধবপুর উপজেলার ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের কোনাবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা।
রেহেনার অভিযোগ, সৌদি আরবে যাওয়ার পর তাঁকে অতিরিক্ত কাজ করানো, ঠিকমতো খাবার না দেওয়া এবং বেতন-ভাতা পরিশোধ না করার পাশাপাশি দেশে ফিরতে বাধা দেওয়া হয়। দেশে ফেরার জন্য একটি এজেন্সির কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। বিষয়টি জানিয়ে তাঁর স্বামী আলী আহমদ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ শাখা থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হয়।
বর্তমানে দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে থাকা রেহেনাকে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশে ফেরানোর কথা জানিয়েছে ঢাকার ফকিরাপুলের রিক্রুটিং এজেন্সি জেনিয়া ওভারসিস। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা হাসান মিয়া জানান, তাঁর বিমানের টিকিট কেনা হয়েছে। রেহেনার স্বামী বলেন, স্ত্রীকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগে তাঁরা স্বস্তি পেয়েছেন; তবে তাঁর পাওনা বেতন-ভাতা এখনো পরিশোধ হয়নি। এসব পাওনা আদায়েও সরকারের সহযোগিতা চান তিনি।