
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি পরিষেবায় বিনিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ফ্রান্সে রাতভর সহিংসতা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতের সহিংসতায় সরকারি ভবনে আগুন দেওয়া ও দোকানপাটে লুটপাট চালানো হয়। এতে এক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং পুলিশের ৫০০ জনের বেশি সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১ হাজার ৮০০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৮ অক্টোবর) দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্যারিসে বিক্ষোভের শেষ দিকে একদল তরুণ দোকানপাটে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে পুলিশের সদস্যদের আহত হওয়ার তথ্য জানান এবং সহিংসতার নিন্দা করেন। প্যারিসের উত্তরে ‘হৃদ্যন্ত্র ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে’ এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএনের সহযোগী সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভি।
মধ্যাঞ্চলীয় শহর লিমোজে ১৪৩ বছরের পুরোনো টাউন হলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যার চূড়া ধসে পড়তে দেখা গেছে ভিডিওতে। মার্সেইয়ে মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা সিটি হলে ভাঙচুর চালান এবং লিওঁ শহরের পর্যটন কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। সহিংসতা মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে আইনপ্রণেতা ও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সমালোচনা বাড়ছে। ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে সহায়তা চেয়েছেন প্যারিস, লিওঁ ও মার্সেইয়ের মেয়ররা। তাঁদের সঙ্গে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নুর বৈঠক করার কথা রয়েছে।