
জন্মভূমি, শৈশবের স্মৃতি ও মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সচিব ইসমাইল জবিউল্লাহ। মঙ্গলবার বিকেলে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় তাঁর পৈতৃক বাড়িসংলগ্ন এলাকায় স্বজন ও এলাকাবাসীর আয়োজনে সৌজন্য ও স্মৃতিচারণমূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজনীতি ও ক্ষমতার চেয়ে শিকড় ও মাতৃভূমির টান অনেক গভীর। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশপ্রেমের রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, গণতন্ত্রে মতের ভিন্নতা স্বাভাবিক; তবে দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, তাঁর মা এই মাটিতেই শায়িত আছেন। বাড়ির উঠান, বৈঠকখানা, পুকুরপাড় ও শান্তির হাটের স্মৃতি তাঁর হৃদয়ে গেঁথে আছে। ভুলুয়া নদীর নাব্যতা হারানো ও জলাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নদী পুনঃখননের বিষয়ে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের পক্ষ থেকে পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই পুনঃখনন ও সংস্কারকাজ শুরুর আশাও প্রকাশ করেন তিনি।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আলেকজান্ডার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সালাউদ্দিন মিঠু, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র হাসানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু এবং কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে হাজিরহাট ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের সুবিধার্থে পানির ফিল্টার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ হস্তান্তর করেন ইসমাইল জবিউল্লাহ।