November 5, 2026, 5:36 pm
শিরোনাম :
ট্রিপল মার্ডার: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন প্রধানমন্ত্রীর সফরে মোংলা বন্দরে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ব্লেড, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা কুড়িগ্রাম পৌরসভায় ১০ বছর ধরে বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার খুলনায় শিল্পাঞ্চল গড়ার পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড মানিকগঞ্জ মেডিকেলে সংবাদ সংগ্রহে বাধা, ইন্টার্ন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ সিরাজগঞ্জে ২৬ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা জব্দ, জরিমানা দুইজনকে সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৩ লাখ টাকার পণ্য জব্দ মাদকের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে

কুড়িগ্রাম পৌরসভায় ১০ বছর ধরে বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

মোঃ জাফর আহমেদ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; algolist: 0; multi-frame: 1; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 32768;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: weather?null, icon:null, weatherInfo:100;temperature: 40;

 

কুড়িগ্রাম পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নামা ভেলাকোপা ও টাপু ভেলাকোপা গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। খালের ওপর সেতু থাকলেও পূর্ব পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় প্রায় ১০ বছর ধরে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙা সংযোগ সড়কের কারণে সেতুটি কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের বন্যায় সেতুর পূর্ব পাশের সংযোগ সড়ক ও সুরক্ষাব্যবস্থা ভেঙে যায়। এরপর দীর্ঘ সময়েও কার্যকর সংস্কারকাজ না হওয়ায় এলাকাবাসী নিজেরাই চাঁদা তুলে বাঁশ-কাঠ সংগ্রহ করে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেন। সেই সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করছেন।

স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. বাবলু মিয়া বলেন, প্রায় ১০ বছর ধরে এলাকার মানুষ এ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সমস্যা সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে এবং পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছে। প্রতিবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে পরিবর্তন আসেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পল্লিচিকিৎসক জানান, সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ার পর এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা মেরামত ও বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। শুধু পৌরসভার বাসিন্দারাই নন, পাশের পাঁচগাছী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নওয়াবশ গ্রামের প্রায় ১ হাজার ৫০০ পরিবারের মানুষও এ সেতুর ওপর নির্ভরশীল। ওই গ্রামের বাসিন্দা আইয়ুব আলী বলেন, কেউ অসুস্থ হলে কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয়; রিকশা বা অটোরিকশা চলাচল করতে পারে না। অনেক সময় নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়। এলাকার কৃষকেরা শাকসবজি, কলাসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করলেও যোগাযোগব্যবস্থার সমস্যায় সেগুলো পরিবহনে দুর্ভোগ ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য নড়বড়ে সাঁকোটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, প্রথম শ্রেণির পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত হয়েও বছরের পর বছর নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। একাধিক মেয়র দায়িত্ব পালন করলেও গুরুত্বপূর্ণ সেতুর সংযোগ সড়ক সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সেতুর সংস্কারসংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে; তবে কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে, তা নিশ্চিত করা যায়নি। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংযোগ সড়ক পুনর্নির্মাণ, প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত এবং স্থায়ী ও টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।



ফেসবুক কর্নার