টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ৬ নং দিগলকান্দি ইউনিয়ন এর পারশী গ্রামের মরহুম ইসমাইল হোসেন এর ছেলে মোঃ মামুনুর রশিদ একজন সফল উদ্যোক্তা হয়েও সে আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত ।
২০২০ সালে প্রথম তাঁর প্রজেক্ট শুরু করেন,এবং
তাঁর নিজ হাতে গড়া দুইটি ফার্মে প্রায় চার হাজার
ডিম পাড়া মুরগী,এক ডজন উন্নত জাতের ছাগল
এবং করেকটি উন্নত জাতের গরু নিয়ে কাজ শুরু করেন । প্রথমত মামুনুর রশিদ তাঁর প্রজেক্ট নিয়ে সাফল্যের স্বপ্ন দেখেন,এবং তার স্বপ্ন পূর্ণ হয় ।
কিন্তু পর্যায়ক্রমে তাঁর সেই স্বপ্ন আজ হতাশায় রূপ নিয়েছে যা সে কখনো নিজেও কল্পনা করতে পারেনী ।
মুরগির খাদ্যের দাম বেশী কিন্তু ডিমের দাম কম,
প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে হাজার হাজার টাকা লোকসান ,এ ভাবে শত শত উদ্যোক্তা সিমাহীন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হচ্ছে ।কথায় আছে যদি উদ্যোক্তা গণ টিকে থাকে তবে মানুষের কর্ম সংস্থান টিকে থাকবে । তাই রাষ্ট্রীয় ভাবে এবং এদেশের যারা বিত্তশালী এবং দেশের উন্নয়ন নিয়ে
যারা ভাবেন স্বপ্ন দেখেন তাদের এই শিল্পের প্রতি সুদৃষ্টি দেয়া দরকার, তানাহলে পুষ্টি এবং আমিষের চরম ঘাটতি দেখা দেবে ।
মামুনুর রশিদ বলেন আমার চার হাজার মুরগির
প্রতিদিন বারো হাজার টাকার খাদ্য এবং গরু ও
ছাগলের পিছনে দুই হাজার টাকার খাদ্য দিতে হচ্ছে,তার পর মজুর বেতন । সব মিলিয়ে এত শ্রম দেওয়ার পরেও ডিমের বাজার মন্দা যে কারণে আমাকে হতাশায় সর্বশান্ত করে দিচ্ছে যা অকল্পনীয় । এভাবে চলতে থাকলে আমি দ্রুত নিশ্য হয়ে যাব তাই বাংলাদেশ সরকারের প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছি,তবেই
আমার এ শিল্পটাকে টিকিয়ে রাখতে পারবো এবং
আমার পরিবার পরিজন নিয়ে দুমুঠো ডাল ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবো